Chinsurah TMC Office Controversy: সরল মমতার ছবি, তৃণমূল ভবনে উড়ল লাল পতাকা! বদলের বাংলায় নয়া নজির
CITU office returned: তৎলালীন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার গত পনেরো বছর ধরে এই অফিসটি দলের কার্যালয় হিসাবে ব্যবহার করেছেন। জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব এই অফিসে মিটিং করত। এসআইআর পর্বে তৈরি হয়েছিল 'ওয়ার রুম'। জেলার তৃণমূলের রাজনৈতিক কার্যকলাপ চলত এই অফিস থেকেই।

হুগলি: তৃণমূল ভবনে উড়ল লাল পতাকা। ছিল সিটু অফিস, হয়েছিল তৃণমূল ভবন।চুঁচুড়া খাদিনামোরে সেই তৃণমূল ভবন সিটু নেতৃত্বের হাতে ফিরিয়ে দিলেন প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার। ২০১১ সালে বাম সরকারের পতন তৃণমূল সরকার গঠনের পর খাদিনামোর জিটি রোডের পাশে সিপিআইএম-এর শ্রমিক সংগঠন সিআইটিইউ এর অফিসটি দখল করে নিয়েছিল তৃণমূল।
তৎলালীন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার গত পনেরো বছর ধরে এই অফিসটি দলের কার্যালয় হিসাবে ব্যবহার করেছেন। জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব এই অফিসে মিটিং করত। এসআইআর পর্বে তৈরি হয়েছিল ‘ওয়ার রুম’। জেলার তৃণমূলের রাজনৈতিক কার্যকলাপ চলত এই অফিস থেকেই।
২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে হুগলিতে বিজেপি জেতার পর খাদিনামোর অফিসটি দখল হয়েছিল।তবে পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় সেটি পুনরুদ্ধার করে তৃণমূল। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর ব্যান্ডেল লিচু বাগানে দখল করে রাখা অফিস ফিরিয়ে দিয়েছে তৃণমূল।
আজ খাদিনামোরের অফিসটি সিটু নেতৃত্বের হাতে তুলে দেন প্রাক্তন বিধায়ক। যাদের অফিস তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হল বলে জানান অসিত। সিপিআইএম নেতৃত্ব জানান, বহু বছর এই অফিস তাদের ছিল। বাম সরকার পরিবর্তনের পর সেই অফিস তৃণমূল দখল করে। সেই অফিস ফিরে পাওয়া তাদের অধিকার।
সিটু নেতা গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “তৃণমূল বলেছিল বদলা নয়, বদল চাই। অথচ আমাদের অফিস দখল হয়েছিল। সেদিন আমরা রুখতে পারিনি। আজকের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অসিত মজুমদার বুঝেছেন অফিসটি ফিরিয়ে দিতে হবে।”
অসিত মজুমদার বলেন, “আমি অন্য ধরনের মানুষ।সব দলই থাকবে সবারই তো অধিকার আছে।আমিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দল করব।২৯ এ নির্বাচন আছে পুরসভা ভোট আছে।”
চুঁচুড়ার বিজেপি বিধায়ক সুবীর নাগ বলেন, “কার কখন বোধোদয় হবে বোঝা যায় না।ওই অফিসের সিডিউল অফিস বলে আমরা জানতাম বিধায়ক তার কার্যালয় বলে সেটা চালাতে। আমরা কোনওরকম দখলদারিতে বিশ্বাসী নই।”
