AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Arambagh: খাটের নীচে কী করছিলেন দুই নার্স? টেনে বার করলেন রোগীর পরিজনরা… নার্সিংহোমের অন্য ছবি এল সামনে

Arambagh Nursing home: বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হয়েছে এবং ঘটনা ধামাচাপা দিতেই কর্তৃপক্ষ নিজেদের মতো করে সব করেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন মৃতার পরিজনরা। এরপর আজ সকালে পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনরা নার্সিংহোমের সামনে বিক্ষোভ দেখান। তারা নার্সিংহোমের ভেতরে ঢুকে দেখেন, ম্যানেজার থেকে স্বাস্থ্যকর্মী বা নার্স কেউই সেখানে নেই।

Arambagh: খাটের নীচে কী করছিলেন দুই নার্স? টেনে বার করলেন রোগীর পরিজনরা... নার্সিংহোমের অন্য ছবি এল সামনে
বেডের নীচে নার্সরাImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Sep 08, 2026 | 2:51 PM
Share

আরামবাগ: নার্সিংহোমের সামনে চলছে তুমুল হইচই। রোগীর পরিজনরা চিৎকার চেঁচামেচি করছেন। নার্স কই, ডাক্তার কই! কারোরই দেখা মিলছে না। এদিকে বাড়িতে কিশোরীর নিথর শরীর। নার্স বেডের নীচে।নার্সিংহোমে চিকিৎসার গাফিলতিতে  কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বেডের তলায় লুকিয়ে থাকা নার্সদের টেনে বার করলেন রোগীর পরিজনরা। ঘটনাস্থলে আরামবাগ থানার পুলিশ।

আরামবাগ রেল স্টেশন সংলগ্ন একটি নার্সিংহোমে ১৭ বছরের এক নাবালিকার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল। পরিবারের অভিযোগ, কোনও কিছু না জানিয়েই মৃতদেহ বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ। প্রতিবাদে এদিন সকালে নার্সিংহোমের সামনে বিক্ষোভ দেখান মৃতার আত্মীয়রা। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে চারতলার একটি বন্ধ ঘর থেকে বেডের তলায় লুকিয়ে থাকা অবস্থায় মহিলা নার্স ও কর্মীদের বের করা হয়। মৃতার নাম শাকিলা খাতুন। বাড়ি আরামবাগের মায়াপুরের শুশনি পাড়ায়।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুর ১২টা নাগাদ অসুস্থতার কারণে শাকিলাকে ওই নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। রাতেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁর কথা হয়। পরিবারের দাবি, হঠাৎ রাতে নার্সিংহোম থেকে ফোন করে জানানো হয়, “আপনার মেয়ের অবস্থা ভালো না।” এর কিছুক্ষণের মধ্যেই তার মৃত্যুর খবর আসে। পরিবারের অভিযোগ, মৃত্যুর পর তাদের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ মৃতদেহ বাড়িতে পৌঁছে দেয়। বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হয়েছে এবং ঘটনা ধামাচাপা দিতেই কর্তৃপক্ষ নিজেদের মতো করে সব করেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন মৃতার পরিজনরা। এরপর আজ সকালে পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনরা নার্সিংহোমের সামনে বিক্ষোভ দেখান। তারা নার্সিংহোমের ভেতরে ঢুকে দেখেন, ম্যানেজার থেকে স্বাস্থ্যকর্মী বা নার্স কেউই সেখানে নেই।

খোঁজাখুঁজির সময় চারতলায় একটি ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখে সন্দেহ হয়। বারবার দরজা খোলার অনুরোধ করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় আরামবাগ থানার পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতিতে দরজা খোলার পর দেখা যায়, নার্সিংহোমের মহিলা কর্মী ও নার্সরা বেডের তলায় লুকিয়ে রয়েছেন। পরে তাঁদের বের করে আনা হয়।

পরিবারের এক সদস্যের বক্তব্য, “মাথা যন্ত্রণা হচ্ছিল ওর। তাই ভর্তি করিয়েছিলাম। এমনি সবই ঠিক ছিল। আমাদের সঙ্গে ফোনে কথাও বলে। উঠে খায়। তারপর হঠাৎ জানাচ্ছে শরীর খারাপ।  ” যদিও এখনও পর্যন্ত নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Follow Us