Govt Hospital Negligence: স্যালাইন দিয়ে রক্ত উঠে আসছে, হুঁশ নেই কারোর! রোগী বলতেই নার্স বললেন, ‘চুপচাপ গিয়ে শুয়ে পড়ুন’
Uttarpara State General Hospital: রোগী নিজেই স্যালাইন বোতল হাতে করে নার্সদের কাছে নিয়ে যান। সেখানেও তাঁকে বলা হয়, "গিয়ে শুয়ে পড়ুন, লোক গিয়ে পাল্টে দেবে"। তারপরেও স্যালাইন পাল্টাতে কেটে যায় বেশ কিছুটা সময়। হাতে যন্ত্রণা নিয়েই রোগীকে শুয়ে থাকতে হল দীর্ঘক্ষণ।

উত্তরপাড়া: রুগীর স্যালাইন শেষ হয়ে গিয়ে বেরিয়ে আসছে রক্ত, হুঁশ নেই সরকারি হাসপাতালের কারোর। উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে রোগী দুর্দশার ছবি ভাইরাল হতেই বিতর্ক!
গত মঙ্গলবার রাতে জ্বর, সর্দি-কাশি নিয়ে উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বাসু অধিকারী।তাঁকে স্যালাইন দেওয়া হয়েছিল। এক সময় তাঁর স্যালাইন শেষ হয়ে যায়। ফাঁকা নলে নিডলের মাধ্যমে রক্ত চলে আসে। এই ঘটনার পরও কোনও হেলদোল ছিল না স্বাস্থ্যকর্মীদের।
শেষে রোগী নিজেই স্যালাইন বোতল হাতে করে নার্সদের কাছে নিয়ে যান। সেখানেও তাঁকে বলা হয়, “গিয়ে শুয়ে পড়ুন, লোক গিয়ে পাল্টে দেবে”। তারপরেও স্যালাইন পাল্টাতে কেটে যায় বেশ কিছুটা সময়। হাতে যন্ত্রণা নিয়েই রোগীকে শুয়ে থাকতে হল দীর্ঘক্ষণ।
অভিযোগ, কিছু বলতে গেলে রোগীকে বাড়ি চলে যেতে বলেন ডাক্তার থেকে নার্স।
রোগী বাসু অধিকারী, যিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন, তিনি জানান, গত মঙ্গলবার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তাঁকে স্যালাইন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু স্যালাইন শেষ হয়ে গিয়ে নলে রক্ত চলে আসলেও নার্স বা হাসপাতালের কাউকে তিনি দেখতে পাননি। শেষে নিজেই স্যালাইন বোতল হাতে করে নিয়ে যান নার্সদের কাছে। সেখানে গেলেও কোনও ব্যবস্থা না করে, তাঁকে বলা হয় গিয়ে শুয়ে পড়তে। দীর্ঘক্ষণ যন্ত্রণা নিয়ে শুয়ে থাকার পর স্যালাইন বন্ধ করা হয়।
বাসু বাবু বলেন, “সরকারি জায়গা তো, বেশি কিছু বলাও যায় না। ওখানে অনেক রোগী বা রোগীর পরিবারের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়। সরকারি হাসপাতালে অনেক মানুষ চিকিৎসা করাতে আসেন। এখানকার পরিকাঠামো ঠিক করা খুবই দরকার।”
এদিকে, হাসপাতালের বাকি রোগীরাও নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদের দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তোলেন। তাদের বক্তব্য যে সময়মতো পরিষেবা পাওয়া যায় না। নার্সদের কিছু সাহায্যের কথা বললে, তারা চিকিৎসকের সামনেই রোগীকে প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন।
এই বিষয় উত্তরপাড়া জেনারেল হাসপাতালের সুপারকে ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেনি। তাঁকে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করে তাহলে তিনি তার কোন উত্তর দেননি।
