Howrah Station: হাওড়া স্টেশনের বাইরে ওঁৎ পেতে ছিল CID, মহিলার সঙ্গে বাস থেকে নামতেই ধরা পড়ে গেল
মঙ্গলবার আফজল তাকে চিরকুটে একটি মোবাইল নম্বর লিখে হাওড়ায় যেতে বলেছিল। চিন্ময় যখন হাওড়া স্টেশনের বাইরে এসে ওই নম্বরে ফোন করেন, তখনই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যান। ধৃতকে বুধবারই হাওড়া আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁর সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। এছাড়াও পাচারের উদ্দেশে এ দেশে নিয়ে আসা ওই মহিলা এদিন বিচারকের কাছে গোপন জবানবন্দি দেন।

হাওড়া: বাংলাদেশি এক মহিলাকে পাচার করতে গিয়ে সিআইডি-র হাতে গ্রেফতার এক ব্যক্তি। ধৃতের নাম চিন্ময় দাস (৫৬)। ওই ব্যক্তি উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, চিন্ময় দাস নামে ওই ব্যক্তি এক বাংলাদেশি মহিলাকে হাওড়া স্টেশনের বাইরে এক ব্যক্তির হাতে তুলে দিচ্ছিলেন। ঠিক সেই সময়ই সিআইডি আধিকারিকদের হাতে হাতেনাতে ধরা পড়ে যান।
জানা গিয়েছে, বুধবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আগে থেকেই তদন্তকারীরা অপেক্ষা করছিলেন। চিন্ময় দাস বছর ২৩-এর এক মহিলাকে নিয়ে বাস থেকে নামতেই তাঁকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন আধিকারিকরা। তাঁর বিরুদ্ধে ফরেনার্স অ্যাক্টে মামলা শুরু হয়েছে।
জানা গিয়েছে, বনগাঁর বাসিন্দা চিন্ময় দাস পেশায় জামাকাপড়ের ব্যবসা করতেন। তবে কিছুদিন হল তিনি বাড়িতে বসেই সেলাইয়ের কাজ করেন। দিন কয়েক আগে বনগাঁর টালিখোলার বাসিন্দা আফজলের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। সিআইডি সূত্রে খবর, আফজল বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে আসা বাংলাদেশি ছেলে অথবা মেয়েকে তাঁর হাতে তুলে দিত। চিন্ময়ের দায়িত্ব ছিল সেই ছেলেকে বা মেয়েকে নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছে দেওয়া। তার বিনিময়ে সে এক হাজার টাকা করে পেত বলে জানতে পেরেছে সিআইডি।
মঙ্গলবার আফজল তাকে চিরকুটে একটি মোবাইল নম্বর লিখে হাওড়ায় যেতে বলেছিল। চিন্ময় যখন হাওড়া স্টেশনের বাইরে এসে ওই নম্বরে ফোন করেন, তখনই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যান। ধৃতকে বুধবারই হাওড়া আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁর সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। এছাড়াও পাচারের উদ্দেশে এ দেশে নিয়ে আসা ওই মহিলা এদিন বিচারকের কাছে গোপন জবানবন্দি দেন। প্রাথমিক তদন্তে সিআইডি-র অনুমান, চিন্ময় দাস মানব পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত।
