AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Jalpaiguri: মাত্র ২ বছর বয়সে ছোট্ট শিবাংশী কী করেছে জানলে চমকে উঠবেন আপনি

Jalpaiguri: জলপাইগুড়ি পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের পিলখানা কলোনী এলাকার বাসিন্দা সোমনাথ পাখিরা। পেশায় তিনি ইঞ্জিনিয়র। তাঁর মেয়ে শিবাংশী পাখিরা। বয়স দুই। সোমনাথাবাবু আর দশজন বাবার মতো মাস কয়েক আগে বাচ্চাকে খেলনা কিনে দেওয়ার পাশাপাশি তিনি কিনে দিয়েছিলেন ফল, ফুল, জন্তু-জানোয়ারের ছবি দেওয়া বই।

Jalpaiguri: মাত্র ২ বছর বয়সে ছোট্ট শিবাংশী কী করেছে জানলে চমকে উঠবেন আপনি
শিবাংশী যাদবImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Nov 09, 2024 | 7:05 PM
Share

জলপাইগুড়ি: এ যেন বিস্ময় শিশু কন্যা! অবাক করা তার পারফরম্যান্স। মাস ছ’য়েকের শিশুর হাতে মোবাইলের বদলে বই ধরিয়ে দেওয়ার ফল পেলেন বাবা-মা। এখন সারাক্ষণই বই নিয়ে নাড়াচাড়া তার। মাত্র দু’বছর বয়সেই সে ছিনিয়ে নিয়েছে ‘ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস’। কী করেছে সে জানেন?

মাত্র দু’বছরের শিশু কন্যা গড়গড়িয়ে বলতে পারে ২৩টি পশুর নাম,২১টি ফলের নাম,২৪টি সবজি, ১০ ধরনের গাড়ি, ১০টির বেশি পাখির নাম, ১২টি রং, ১২টি অঙ্গ প্রত্যঙ্গের নাম,৩১টি হাউস হোল্ড এর নাম। ডাক শুনে বলে দিতে পারে কোনটি কোন পশুর ডাক। তার অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য সার্টিফিকেট, মেডেল সহ বিভিন্ন উপহার মিলেছে ‘ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডস’ সংস্থা থেকে।

জলপাইগুড়ি পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের পিলখানা কলোনী এলাকার বাসিন্দা সোমনাথ পাখিরা। পেশায় তিনি ইঞ্জিনিয়র। তাঁর মেয়ে শিবাংশী পাখিরা। বয়স দুই। সোমনাথাবাবু আর দশজন বাবার মতো মাস কয়েক আগে বাচ্চাকে খেলনা কিনে দেওয়ার পাশাপাশি তিনি কিনে দিয়েছিলেন ফল, ফুল, জন্তু-জানোয়ারের ছবি দেওয়া বই।

মাত্র এক বছর বয়স হতে না হতেই সে খেলনার বদলে বই নিয়ে খেলা করতে শুরু করে। শিশু কন্যার বয়স যখন মাত্র ১৫ মাস, তখন তার মা পুনম দেবী লক্ষ্য করেন বাচ্চা A-Z গড়গড়িয়ে বলতে পারে। মাস খানেক পর লক্ষ্য করেন বর্ণমালার মাঝখানের যে কোনও বর্ণ দেখিয়ে দিলে সেটা কি তা বলতে পারছে। আরও মাস দু’য়েক পর তিনি লক্ষ করেন বাড়ির গাছের বিভিন্ন ফুল দেখালে তার নাম বলে দিচ্ছে। বাঘ কিংবা সিংহের ডাক শুনে পশুর নামও বলে দিচ্ছে। ছোট বাচ্চার কীর্তিতে অবাক হয়ে যায় বাড়ির সকলে।

শিশুর মা পুনম যাদব পাখিরা বলেন, “আমার বাচ্চার বিভিন্ন কীর্তি মোবাইল বন্দি করি। বাড়ির সকল আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে তা শেয়ার করা শুরু করি। এরপর তারা সংবাদ মাধ্যম থেকে জানতে পারেন ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস সংস্থার নাম। নেট সার্চ করে যোগাযোগ করেন তাঁরা। এরপর রেজিস্ট্রেশন করান। গত অক্টোবর মাসে সংস্থার তরফে আমাদের ভিডিয়ো পাঠাতে বলা হয়। ভিডিয়ো পাঠিয়ে দিলে তার কয়েকদিন পর সংস্থার তরফে শিবাংশীর কীর্তির জন্য সার্টিফিকেট দেয়।”

দিদা সঞ্জিতা যাদব বলেন, “ও আমাদের দিদিমণি। সারাক্ষণ বাড়ির সকলকে টেনে নিয়ে এসে পড়তে বসায়। পড়াটাই ওর খেলা। সম্প্রতি আমার স্বামী মারা যায়। এরপর আমি ডিপ্রেশনে চলে যাই। আমি বাড়ির কারোর সাথে কথা বলতাম না। কিন্তু ও আমাকে আবার স্বাভাবিক করে তুলেছে।”

Follow Us