Calcutta High Court: ধোপে টিকল না আবেদন, ফের আদালতে ধাক্কা খেল মমতা তৃণমূল! বড় স্বস্তি রাজ্যের
Calcutta High Court Alipurduar Municipality verdict: গত ১৮ই জুন, যখন আলিপুরদুয়ার পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদত্যাগ করেন। এরপর ৩০শে জুন রাজ্য প্রশাসন কাউন্সিলরদের নোটিশ পাঠায় যে কেন পুরবোর্ড ভেঙে দেওয়া হবে না। নোটিশের তিন দিনের মাথায়, ৩রা জুলাই বোর্ড ভেঙে দিয়ে প্রশাসক বসিয়ে দেওয়া হয়।

জলপাইগুড়ি: কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের গুরুত্বপূর্ণ রায়ে স্বস্তি পেল রাজ্য সরকার। আর আবারও জোর ধাক্কা খেল মমতা তৃণমূল কংগ্রেস। আলিপুরদুয়ার পুরসভায় ফের প্রশাসক বসানোর নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা এবং বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চ। এই আদেশের ফলে সিঙ্গেল বেঞ্চের আগের নির্দেশ খারিজ হয়ে গেল।
ঘটনার সূত্রপাত গত ১৮ই জুন, যখন আলিপুরদুয়ার পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদত্যাগ করেন। এরপর ৩০শে জুন রাজ্য প্রশাসন কাউন্সিলরদের নোটিস পাঠায় যে কেন পুরবোর্ড ভেঙে দেওয়া হবে না। নোটিসের তিন দিনের মাথায়, ৩ জুলাই বোর্ড ভেঙে দিয়ে প্রশাসক বসিয়ে দেওয়া হয়।
প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন পুরসভার একমাত্র কংগ্রেস কাউন্সিলর সহ চারজন। প্রথম দফায় জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের সিঙ্গল বেঞ্চ প্রশাসক বসানোর সিদ্ধান্ত খারিজ করে দেয়। এরপর মমতা-পন্থী তৃণমূল কাউন্সিলররা বৈঠক ডাকার আবেদন জানালেও পুর কর্তৃপক্ষ তা নাকচ করে।
অবশেষে সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার শুনানি শেষে ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যের পক্ষে রায় দিয়ে পুনরায় প্রশাসক বসানোর আদেশ দেয়। উল্লেখ্য, ২০ আসন বিশিষ্ট এই পুরসভায় ১৯ জন তৃণমূল কাউন্সিলর ও ১ জন কংগ্রেস কাউন্সিলর রয়েছেন। আইনি লড়াই শেষে পুরসভার নিয়ন্ত্রণ এখন ফের প্রশাসকের হাতে।
