HC On Recruitment Scam: এবার হাইকোর্ট থেকে ডিলিস্ট অর্থাৎ তালিকার বাইরেই চলে গেল নিয়োগ দুর্নীতির সিবিআই-এর মামলা! কেন?
Recruitment Scam SIT: এদিনের মামলার শুনানিতে ASG বলেছেন, "অনেক অফিসার রয়েছেন, যাঁরা অবসর নেবেন। আবার তদন্তের এতগুলো বছরের মধ্যে কেউ অবসর নিয়েছেন। তাঁদের রিলিজ করতে হবে।" তখন বিচারপতি প্রশ্ন করেন, "ভবিষ্যৎ কী তদন্তের? সেগুলি কী যেগুলি, আপনারা তদন্ত করছিলেন?"

কলকাতা: তদন্ত এখন ঠিক কোন পর্যায়ে রয়েছে? এতদিন তদন্তে আদৌ ঠিক কী বেরিয়েছে? এর ভবিষ্যৎ কী? নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তকারী দল সিট ভেঙে দেওয়ার সিবিআই আবেদন মামলার শুনানিতে মঙ্গলবার প্রশ্ন করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। সুপ্রিম কোর্টে মামলা আছে, তাই সিবিআই আবেদন তালিকার বাইরে অর্থাৎ ডিলিস্ট করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। চাইলে সিবিআই সুপ্রিম কোর্ট যেতে পারে।
এদিনের মামলার শুনানিতে ASG বলেছেন, “অনেক অফিসার রয়েছেন, যাঁরা অবসর নেবেন। আবার তদন্তের এতগুলো বছরের মধ্যে কেউ অবসর নিয়েছেন। তাঁদের রিলিজ করতে হবে।” তখন বিচারপতি প্রশ্ন করেন, “ভবিষ্যৎ কী তদন্তের? সেগুলি কী যেগুলি, আপনারা তদন্ত করছিলেন?”
তখন চাকরিপ্রার্থী অর্থাৎ মূল মামলাকারীদের তরফে আইনজীবী সুদীপ্ত.দাশগুপ্ত বলেন, “কী পদক্ষেপ করেছে সিবিআই? কিছুই করেনি?” মামলাকারীদের তরফে আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য বলেন, “সিবিআই সিট ভেঙে দিতে চায় এটা খুব সিরিয়াস কনসার্ন।” সে প্রসঙ্গেই আইনজীবী ফিরদৌস শামিম উল্লেখ করেন, “শীর্ষ আদালতের নির্দেশ এক্ষেত্রে ভায়োলেট করা হবে। তদন্ত না করলে সিট কেন হয়েছিল?”
বিচারপতি অমৃতা সিনহা বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট স্থগিতাদেশ দিয়েছে তাহলে এই আদালত কী করবে? সব প্রসিডিং স্টে করেছিল শীর্ষ আদালত।”
সিবিআই-এর আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী বলেন, “পাঁচ বছর অনেকে অবসর নিয়েছেন। আমরা সুপ্রিম কোর্টে পার্টি ছিলাম না।” একই সঙ্গে ইডিকে দেওয়া সন্তু গঙ্গোপাধ্যায়ের চিঠি তুলে ধরলেন চাকরিপ্রার্থীদের আইনজীবী। বিচারপতি হাতে তুলে দেওয়া হল। আইনজীবী সুদীপ্ত দাস গুপ্তও এরপর সওয়াল করেন, “এই চিঠির পরেও সিবিআই তদন্ত বন্ধ করতে চায়?”
