Jalpaiguri: চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ‘ডিলিটেড’ বিডিও, তৃণমূল বলল…
SIR in Bengal: ইচ্ছে করে 'গোলযোগ' রাখা হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্ন তুলে প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ পার্থপ্রতিম রায় বলেন, "এই মানুষগুলোর দায়িত্ব কি নির্বাচন কমিশন নেবে? নাকি অঙ্ক কষে এই ধরনের গোলযোগ ইচ্ছে করে রাখা হয়েছে বিজেপিকে সুবিধে দিতে।"

ময়নাগুড়ি: তিনি বিডিও। এসআইআর প্রক্রিয়ায় AERO-র দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় তাঁর নামের পাশেই লেখা রয়েছে ‘ডিলিটেড’। এসআইআর-র তালিকায় জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির বিডিও প্রসেনজিৎ কুণ্ডুর নাম বাদ যাওয়ায় শোরগোল পড়েছে। নাম বাদের কথা স্বীকার করলে এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি বিডিও। তবে বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে তুলোধোনা করেছে তৃণমূল।
ময়নাগুড়ির বিডিও প্রসেনজিৎ কুণ্ডু এসআইআর প্রক্রিয়ায় ময়নাগুড়ি বিধানসভা এলাকায় AERO-র দায়িত্ব পালন করেন। তিনি নিজে আলিপুরদুয়ার বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার। তাঁর বাড়ি আলিপুরদুয়ার শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ১৯২ নম্বর বুথে। গতকাল চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়, ময়নাগুড়ির বিডিও-র বাড়ির অন্য সদস্যদের নাম থাকলেও তাঁর নাম বাদ গিয়েছে। এই নিয়ে জানতে চাওয়া হলে বিডিও বলেন, “আমিও তেমনটাই দেখেছি। তবে এনিয়ে মন্তব্য করব না।” নির্বাচন কমিশন অবশ্য আগেই জানিয়ে দিয়েছে, নাম বাদ যাওয়ার পর ফের আবেদন করা যাবে।
বিডিও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে না চাইলেও সরব হয়েছে তৃণমূল। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে কমিশন ও বিজেপিকে নিশানা করেছেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ পার্থপ্রতিম রায়। তিনি লেখেন, “ময়নাগুড়ি ব্লকের বিডিও। তার আগে কোচবিহার জেলার কোচবিহার ২ ব্লকের বিডিও ছিলেন প্রসেনজিৎ কুণ্ডু। তাঁর নাম আজকের প্রকাশিত ভোটার তালিকায় ডিলিটেড। তালিকায় তাঁর বাড়ির সকলের নাম থাকলেও (তাঁর বাবা-মা, স্ত্রী) তাঁর নাম ডিলিটেড। কতটা ভুলে ভরা এই ভোটার তালিকা এটা সহজেই অনুমেয়। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা একজন বিডিও পদমর্যাদার আধিকারিকের যদি এই হাল হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা সহজেই অনুমেয়। নির্বাচন কমিশনের এই দায়িত্বজ্ঞানহীনতার নেপথ্য কাহিনি : His Master Voice. আর চারিদিকে adjudicated সমাধানহীন ভোটারগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা সকলে চিন্তিত। বিচারকরা যাচাই করছেন ঠিকই। কিন্তু সময় মতো এত ভোটারের নথি যাচাই করে উঠতে পারবেন কি?”
ইচ্ছে করে ‘গোলযোগ’ রাখা হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্ন তুলে তৃণমূল এই নেতা বলেন, “এই মানুষগুলোর দায়িত্ব কি নির্বাচন কমিশন নেবে? নাকি অঙ্ক কষে এই ধরনের গোলযোগ ইচ্ছে করে রাখা হয়েছে বিজেপিকে সুবিধে দিতে। তবে জেনে রেখো বিজেপি: “যতই করো হামলা, আবার জিতবে বাংলা”। আমি প্রস্তুত লড়াইয়ের ময়দানে। আর আপনি।”
