AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Jalpaiguri housewife murdered: স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন, মাকেও কোপানোর অভিযোগ, শেষে যা করলেন অভিযুক্ত…

Dhupguri Wife Murder: পুত্রবধূকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন জাহাঙ্গীরের মা। অভিযোগ, তখন তাঁকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন জাহাঙ্গীর। তাঁর পায়ে গভীর আঘাত লাগে। রক্তাক্ত অবস্থায় কোনওরকমে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন তিনি। এরপর বাড়িতে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হলে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।

Jalpaiguri housewife murdered: স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন, মাকেও কোপানোর অভিযোগ, শেষে যা করলেন অভিযুক্ত...
কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মৃতার পরিজনরাImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Aug 23, 2026 | 2:27 PM
Share

ধূপগুড়ি: পারিবারিক বিবাদের জেরে স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ। শুধু তাই নয়, স্ত্রীকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে নিজের মাকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করেন। এরপর অভিযুক্ত ব্যক্তি কীটনাশক খেয়ে থানায় আত্মসমর্পণ করেন। রবিবার সকালে মর্মান্তিক ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ির বারঘরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ভেমটিয়া এলাকায়।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম জাহাঙ্গীর আলম। মৃত মহিলার নাম রুকসানা বেগম। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর তিনেক আগে জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে রুকসানা বেগমের বিয়ে হয়। তাঁদের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। প্রথমদিকে সংসার স্বাভাবিকভাবে চললেও পরবর্তীতে তাঁদের মধ্যে পারিবারিক অশান্তি শুরু হয় বলে দাবি পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, জাহাঙ্গীর বিভিন্ন ধরনের নেশায় আসক্ত। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তিনি প্রায়ই বাড়িতে অশান্তি করেন। স্ত্রীকে মারধরের পাশাপাশি প্রতিবেশীদেরও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, রবিবার সকাল প্রায় ৬টা নাগাদ বাড়িতে স্ত্রী রুকসানা বেগমের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন জাহাঙ্গীর। এরপর তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীকে একাধিকবার কোপাতে শুরু করেন। ঘটনাস্থলেই রুকসানা বেগমের মৃত্যু হয় বলে জানা যায়।

পুত্রবধূকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন জাহাঙ্গীরের মা। অভিযোগ, তখন তাঁকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন জাহাঙ্গীর। তাঁর পায়ে গভীর আঘাত লাগে। রক্তাক্ত অবস্থায় কোনওরকমে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন তিনি। এরপর বাড়িতে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হলে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।

ঘটনার পর জাহাঙ্গীর কীটনাশক পান করে ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধূপগুড়ি থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। পুলিশ তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। একইসঙ্গে ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ধূপগুড়ি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রুকসানা বেগমের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। জাহাঙ্গীরের মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টহলদারি দল মোতায়েন করা হয়। পুরো ঘটনায় অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ।

Follow Us