AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Dhupguri: লরি থেকে উদ্ধার প্রায় ৪০টি মহিষ, চালক পলাতক

কিন্তু ধূপগুড়ি ও বানারহাট থানা এলাকার মধ্য দিয়ে যাওয়া জাতীয় সড়কে এতদিন এ ধরনের পাচারের গাড়ি পুলিশের নজরে না আসায় প্রশ্ন উঠছে। এবার লরি বিকল হয়ে যাওয়ায় ঘটনাটি সামনে এসেছে। ফলে ডুয়ার্সের জাতীয় সড়ক এবং এশিয়ান হাইওয়ে ৪৮ নম্বর সড়ককে পাচারকারীরা এখনও গবাদি পশু পাচারের করিডর হিসেবে ব্যবহার করছে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

Dhupguri: লরি থেকে উদ্ধার প্রায় ৪০টি মহিষ, চালক পলাতক
ধূপগুড়িতে পাচার মহিষImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Oct 15, 2026 | 2:27 PM
Share

ধূপগুড়ি: পাচারের আগে ধূপগুড়িতে (Dhupguri) উদ্ধার বিপুল সংখ্যক মহিষ (buffalo)। শিলিগুড়ির দিক থেকে একটি মহিষ বোঝাই লরি অসমের দিকে যাওয়ার সময় ধূপগুড়ি ট্রাফিক চৌপথি এলাকায় আচমকাই বিকল হয়ে যায়। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে লরি থেকে নেমে চম্পট দেয় চালক। এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছে লরিতে তল্লাশি চালাতেই পুলিশের চোখ কপালে ওঠে। লরির ভিতরে একসঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছিল প্রায় ৪০টি মহিষ। গাদাগাদি করে মহিষগুলিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান পুলিশের। মাঝপথে লরি বিকল হয়ে যাওয়ার পর চালকের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় সন্দেহ আরও জোরাল হয়েছে।

পরে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ মহিষ বোঝাই লরিটিকে সেখান থেকে সরিয়ে গয়েরকাটা রোডের একটি পেট্রল পাম্পের সামনে নিয়ে যায়। সেখানেই রাখা হয় গাড়িটি। ইতিমধ্যেই মহিষগুলিকে খোঁয়াড়ে পাঠানো হয়েছে। মহিষগুলি কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মহিষ পাচার রুখতে প্রশাসনের তৎপরতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এই ঘটনায়। আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রাম এলাকায় এর আগে একাধিকবার গরু ও মহিষ বোঝাই লরি আটক করা হয়েছে। কিন্তু ধূপগুড়ি ও বানারহাট থানা এলাকার মধ্য দিয়ে যাওয়া জাতীয় সড়কে এতদিন এ ধরনের পাচারের গাড়ি পুলিশের নজরে না আসায় প্রশ্ন উঠছে। এবার লরি বিকল হয়ে যাওয়ায় ঘটনাটি সামনে এসেছে। ফলে ডুয়ার্সের জাতীয় সড়ক এবং এশিয়ান হাইওয়ে ৪৮ নম্বর সড়ককে পাচারকারীরা এখনও গবাদি পশু পাচারের করিডর হিসেবে ব্যবহার করছে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মহিষগুলিকে অসমে পাচারের উদ্দেশ্যেই নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তবে মহিষগুলির উৎস এবং গন্তব্য সম্পর্কে এখনও নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি। পলাতক চালকের খোঁজেও তদন্তের অগ্রগতি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

Follow Us