CPM: ব্রাত্যর কুশপুতুল নিয়ে ‘কাড়াকাড়ি’, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে বাম কর্মীরা
CPM: ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার সন্ধে নাগাদ। সেখানে যাদবপুর-কাণ্ডের প্রতিবাদে কদমতলা মোড়ে চলছিল তৃণমূল শিক্ষক সংগঠনের ধিক্কার সভা। ঠিক সেই সময় যাদবপুর ইস্যুতে সিপিএমের জেলা দফতরের সামনে থেকে মিছিল বের করে বামপন্থী ছাত্র যুব সংগঠনের কর্মীরা।

জলপাইগুড়ি: শনিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনার প্রভাব পড়েছে গোটা রাজ্যে। একদিকে যখন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য় বসুকে হেনস্থার প্রতিবাদে ময়দানে শাসকদল,তখন অন্যদিকে পড়ুয়াকে গাড়ি চাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে ব্রাত্যর গ্রেফতারির দাবিতে মাঠে সিপিএম (CPM)। রাজ্যজুড়ো দুই দলেরই চলছে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ কর্মসূচি। বাদ যায়নি জলপাইগুড়ি। সেখানে পরিস্থিতি পৌঁছল চরমে। ব্রাত্য বসুর কুশপুত্তলিকা দাহ করতে বাধা পুলিশের। এই নিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বাম কর্মীদের। পুলিশ আধিকারিকরা কুশ পুতুল কেড়ে নেন। কিন্তু পুলিশের হাত থেকে ফের সেই পুতুল ছিনিয়ে নিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় বাম কর্মীরা। তখনই পরিস্থিতি বেরিয়ে যায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে। বাম কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বাধে পুলিশে আধিকারিকদের।
ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার সন্ধে নাগাদ। সেখানে যাদবপুর-কাণ্ডের প্রতিবাদে কদমতলা মোড়ে চলছিল তৃণমূল শিক্ষক সংগঠনের ধিক্কার সভা। ঠিক সেই সময় যাদবপুর ইস্যুতে সিপিএমের জেলা দফতরের সামনে থেকে মিছিল বের করে বামপন্থী ছাত্র যুব সংগঠনের কর্মীরা। মিছিল করে কদমতলার দিকে এগোতে থাকলে মাঝ রাস্তায় ব্যারিকেড লাগিয়ে দেয় পুলিশ। মিছিলকে অন্য রাস্তায় ঘুরিয়ে দেয়। এরপর ফের অন্য রাস্তা দিয়ে বাম কর্মীরা কদমতলায় আসে। কুশপুত্তলিকা দাহ করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় ধস্তাধস্তি। তারপরই কার্যত মন্ত্রীর কুশপুতুল নিয়ে চলে দু’পক্ষের কাড়াকাড়ি।
সিপিএম জেলা কমিটির সদস্য কৌশিক ভট্টাচার্য্য বলেন, “ভারতের মানুষ লজ্জা পাচ্ছেন। শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে যেভাবে ছাত্রদের উপর গাড়ি চালিয়েছে। এর প্রতিবাদ হবে স্বাভাবিত। আজ সেই মতো প্রতিবাদ করছিলাম। প্রথমেই পুলিশ ব্যারিকেড করল। পুলিশ বলল তৃণমূলের কর্মসূচি আছে। আমরা তাদের কথা শুনলাম। এরপর যখন কুশপুতুল দাহ করতে গেলাম তখন পুলিশ ঝাঁপিয়ে পড়ল আমাদের উপর। এটাই কি পুলিশের কাজ?” অপরদিকে, তৃণমূল শিক্ষক নেতা অঞ্জন দাস বলেন, “ব্রাত্য বসুর উপর প্রাণঘাতি হামলার প্রতিবাদে আমরাও মিছিল করছি।”

