AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Election Drama: তক্কে তক্কে বসে ছিলেন, ২ বছর আগে পালিয়ে যাওয়া বউ ভোট দিতে আসতেই খপাৎ করে ধরলেন! তারপর যা হল…আধিকারিকরাও স্তম্ভিত

West Bengal Assembly Election 2026: ২৫/২৩৮ বুথে এক ভোটার সকাল সকালই পৌঁছে গিয়েছিলেন। নিজের ভোটদানের পরও অপেক্ষা করছিলেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে। কেউ কোনও প্রশ্ন করলে উত্তর দিচ্ছিলেন না। চুপচাপ অপেক্ষা করছিলেন। কার অপেক্ষা? স্ত্রীয়ের।

Election Drama: তক্কে তক্কে বসে ছিলেন, ২ বছর আগে পালিয়ে যাওয়া বউ ভোট দিতে আসতেই খপাৎ করে ধরলেন! তারপর যা হল...আধিকারিকরাও স্তম্ভিত
প্রতীকী চিত্র।Image Credit: Gemini AI
| Edited By: | Updated on: Apr 24, 2026 | 4:56 PM
Share

জলপাইগুড়ি: রেকর্ড ভোট বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) প্রথম দফায়। ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। স্বাধীনতার পর এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে এত হারে ভোট পড়ল। বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া সেভাবে অশান্তির খবরও মেলেনি। কোথাও তৃণমূল বা বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত হলেও, প্রাণহানি হয়নি। তবে এই ভোটবঙ্গেই এমন এক ঘটনা ঘটল, যা নজর কেড়েছে সকলের। স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া পৌঁছল বুথ পর্যন্ত। ২০ মিনিট ভোটও বন্ধ রাখতে হল।

ঘটনাটি ঘটেছে মাটিগাড়া-নক্সালবাড়ি বিধানসভার অধীনে ফাঁসিদেওয়ার তারাবাড়িতে। ২৫/২৩৮ বুথের ভোটাররা চরম নাটকীয়তার সাক্ষী থাকলেন। এমনকী কিউআরটি-ও পৌঁছে গিয়েছিল। সিআরপিএফ ছুটে এসে পরিস্থিতির সামাল দেয়। ঠিক কী ঘটেছিল?

২৫/২৩৮ বুথে এক ভোটার সকাল সকালই পৌঁছে গিয়েছিলেন। নিজের ভোটদানের পরও অপেক্ষা করছিলেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে। কেউ কোনও প্রশ্ন করলে উত্তর দিচ্ছিলেন না। চুপচাপ অপেক্ষা করছিলেন। কার অপেক্ষা? স্ত্রীয়ের। স্ত্রী দুই বছর আগে অন্য একজনের সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিল তাঁকে ছেড়ে। ওই ব্যক্তি অনেক খোঁজার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু স্ত্রীর পাত্তা পাননি।

এবার এসআইআরের পর তিনি নিশ্চিত ছিলেন যে আর যাই হোক না কেন, স্ত্রী ভোট দিতে আসবেই। সেই মতোই অপেক্ষা করছিলেন। ৫ ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর, দুপুর ২টো নাগাদ সত্যিই ওই মহিলা ভোটার স্লিপ ও ইপিক কার্ড নিয়ে আসেন ভোট দিতে। সঙ্গে সঙ্গেই ওই ব্যক্তি ঝাঁপিয়ে পড়েন।

দুই বছর আগে পালিয়ে যাওয়া স্ত্রীর হাত থেকে ভোটার কার্ড ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। স্ত্রী বাধা দিতে চেষ্টা করলে, দুজনের মধ্যে হাতাহাতি বেধে যায়। চুলের মুঠি ধরে টানাটানি করেন ওই ব্যক্তি। তাঁর বক্তব্য, স্ত্রীর ভোটার কার্ডে এখনও স্বামীর জায়গায় তাঁর নাম আছে। ওই মহিলা ভোটার কার্ডে স্বামীর নাম বদল করে আনুক, তারপরই তিনি ভোট দিতে দেবেন। স্ত্রী যাতে ভোট দিতে না পারেন, তার জন্য পিছন থেকে জাপটে ধরে থাকেন তিনি।

গোটা ঘটনায় স্তম্ভিত হয়ে যান ভোট দিতে আসা বাসিন্দারা। শেষে সিএপিএফ আধিকারিকরা এসে ওই মহিলাকে উদ্ধার করেন। ওই ব্যক্তিকে টেনে-হিঁচড়ে দূরে সরিয়ে নিয়ে যান। তখনও দুই পক্ষের মধ্যে গালিগালাজ চলছে। শেষে ওই মহিলা ভোট দেন। ক্ষুব্ধ হয়ে ভোটকেন্দ্র ছাড়েন ওই ব্যক্তি। তবে এই গোটা ঘটনায় প্রায় ২০ মিনিট ভোট গ্রহণ বন্ধ ছিল। এক পোলিং অফিসার বলেন, “আমি ২৬ বছর ধরে ভোটের ডিউটি করছি। এমন অভিজ্ঞতা কখনও হয়নি।”

Follow Us