AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

West bengal School: আজব ঘটনা! HS পরীক্ষা দিচ্ছে, অথচ ২টি বিষয় ছাড়া আর কোনও পাঠ্য বই হাতেই পায়নি পড়ুয়ারা

Jhargram: এদিকে এই পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন। তাদের দাবি, আদিবাসী ও পিছিয়ে পড়া এলাকার এই ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ চরম অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে এই মৌলিক ঘাটতি দূর করতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তাঁরা।

West bengal School: আজব ঘটনা! HS পরীক্ষা দিচ্ছে, অথচ ২টি বিষয় ছাড়া আর কোনও পাঠ্য বই হাতেই পায়নি পড়ুয়ারা
স্কুলImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Oct 01, 2026 | 7:40 AM
Share

ঝাড়গ্রাম: দ্বাদশ শ্রেণির তৃতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা চলছে, আর হয়ত কয়েকটা পরীক্ষা বাকি। অথচ এখনও হাতে পৌঁছয়নি নির্দিষ্ট পাঠ্যবই। সাঁওতালি ও ইংরেজি ভাষা ছাড়া অন্য কোনও বিষয়ের বই ছাড়াই উচ্চমাধ্যমিকের (Higher Secondary) প্রস্তুতি নিতে বাধ্য হয়েছে সাঁওতালি মাধ্যমের পড়ুয়ারা। ঝাড়গ্রামের ‘বেলপাহাড়ি এসসি হাই স্কুলের’ এই দীর্ঘমেয়াদী অব্যবস্থার জেরে চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মুখে পড়েছেন পরীক্ষার্থীরা। গত বছর সিলেবাস পরিবর্তন করা হয়েছে। যার কারণে সমস্যায় পড়তে হয়েছে। ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জানান, সরকারিভাবে কেবল মাত্র সাঁওতালি ও ইংরেজি ভাষার পাঠ্যবই দেওয়া হয়েছে। সরকারি ভাবে বাকি বিষয়গুলির পাঠ্যবই অনুবাদের কাজ চলছে। কিন্তু স্কুলে এসে পৌঁছয়নি। স্কুলের সাঁওতালি মাধ্যমের এক শিক্ষিকা জানালেন, পুরনো বইয়ের সিলেবাসের সঙ্গে আর মিলছে না। ফলে অনুবাদ করেই পড়াতে হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, সাঁওতালি মাধ্যমে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে বিষয়ভিত্তিক বইয়ের অভাব নতুন নয়। গত বছরও পর্যাপ্ত পাঠ্যবই ছাড়াই পরীক্ষায় বসতে হয়েছিল পড়ুয়াদের। এবারও সেই একই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঘটছে। যদিও, সরকারিভাবে একাদশ শ্রেণির প্রথম সেমিস্টারের জন্য কিছু বই সরবরাহ করা হয়েছে, তবে দ্বাদশ স্তরের বাকি বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে এখনও কোনও বই স্কুলে পৌঁছয়নি। এর ফলস্বরূপ, পঠনপাঠন সচল রাখতে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উপরই সম্পূর্ণ নির্ভর করতে হচ্ছে পড়ুয়াদের। শিক্ষকরা নিজেরাই অন্যান্য ভাষার বই থেকে বিষয়বস্তু অনুবাদ করে ক্লাসে পড়াচ্ছেন এবং নোট তৈরি করে দিচ্ছেন। কিন্তু সেমিস্টার পদ্ধতির মতো গুরুত্বপূর্ণ মূল্যায়নের মুখে পূর্ণাঙ্গ পাঠ্যবই না থাকায় সিলেবাস শেষ করা ও পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ছাত্র-ছাত্রীরা।

এদিকে এই পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন। তাদের দাবি, আদিবাসী ও পিছিয়ে পড়া এলাকার এই ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ চরম অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে এই মৌলিক ঘাটতি দূর করতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তাঁরা।

তৃতীয় সেমিস্টারের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী মার্শাল মুর্মু বলেন, “সঠিক মতো বই আমরা পাই না। সেই কারণে ঠিকভাবে পড়তেও পারি না।” বেলপাহাড়ি এসসি হাইস্কুল ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কিংশুক সাহা বলেন, “ছাত্র-ছাত্রীদের যে শিক্ষক-শিক্ষিকারা পড়াচ্ছেন। এখনও পর্যন্ত ট্রান্সলেটের কাজ সরকারিভাবে চলছে। তবে বই আকারে আমাদের কাছে পৌঁছয়নি।”

Follow Us