Keleghai River: একটু একটু করে মাটি সরে যাচ্ছে কীভাবে! নদী দেখে তাজ্জব মন্ত্রীও
বর্ষাকাল এলেই কেলেঘাই নদীর বন্যার আতঙ্কে থাকেন দুই মেদিনীপুর জেলার কয়েক লক্ষ মানুষ। নদী বাঁধের ভিতর মাছের ঝিল বা ফিসারি এবং ইটভাটা রয়েছে। তৃণমূলের সরকার নেই আর এলাকায় নেতা কর্মীও নেই। রাজনৈতিক পালাবদল হলেও বন্ধ হয়নি কেলেঘাই নদীর মাটি চুরি।

পূর্ব মেদিনীপুর: আস্ত নদী চুরির অভিযোগ। কেলেঘাই নদী থেকে হু হু করে সরে যাচ্ছে মাটি। নদী থেকে মাটি কোথায় যাচ্ছে, কীভাবে যাচ্ছে, কারা নিয়ে যাচ্ছে, সব তদন্ত করে দেখার দাবি উঠল পূর্ব মেদিনীপুরে (Purba Medinipur)। তৃণমূলের আমল থেকে চলছে এই কীর্তি। নদীর বুকে মাছের ভেড়ি, নদীর বুকে ইটের ভাঁটা কীভাবে হল, মাটি কোথায় গেল? উঠছে প্রশ্ন।
সোমবার পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া কেলেঘাই নদী পরিদর্শনে গিয়েছিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন-খাদ্য সরবরাহ দফতরের প্রতিমন্ত্রী তথা ভগবানপুরের বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিক। চন্ডীপুর বিধানসভার শিলাখালি থেকে শুরু করে কাঁটাখালি ও লাঙলকাটা হয়ে পটাশপুর বিধানসভার আমগেছিয়া পর্যন্ত নদীর দীর্ঘ পথ ঘুরে দেখেন তিনি।
পরিদর্শনের পর মন্ত্রী শান্তনু প্রামাণিক বলেন, “অপরিকল্পিত ও দিশাহীনভাবে কেলেঘাই নদীর বুকে যেখানে সেখানে মাটি জমা করা রয়েছে। মাটিগুলো কোথায় যাচ্ছে, কীভাবে যাচ্ছে, কেন যাচ্ছে, কারা নিয়ে যাচ্ছে, এখান থেকে সরকারি রেভিনিউ আসছে কি না, তা বুঝতে পারছি না। বিষয়টা তদন্ত করে দেখা হবে।”
তিনি আরও বলেন, ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে সেচমন্ত্রীকে নিয়ে আবার কেলেঘাই নদী পরিদর্শনে আসবেন। কেলেঘাই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকেও লিখিত জানাবেন তিনি। কেলেঘাই নদীর বন্যা পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুর, চন্ডীপুর, পটাশপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সবং বিধানসভার একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা এটি।
বর্ষাকাল এলেই কেলেঘাই নদীর বন্যার আতঙ্কে থাকেন দুই মেদিনীপুর জেলার কয়েক লক্ষ মানুষ। নদী বাঁধের ভিতর মাছের ঝিল বা ফিসারি এবং ইটভাটা রয়েছে। তৃণমূলের সরকার নেই আর এলাকায় নেতা কর্মীও নেই। রাজনৈতিক পালাবদল হলেও বন্ধ হয়নি কেলেঘাই নদীর মাটি চুরি। এই পরিস্থিতিতে পুরো বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে জানাবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী শান্তনু প্রামাণিক।
