AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

SIR News: সংখ্যালঘু গ্রাম হিসাবে পরিচিত, সেখানকারই ৮ হাজার ৫৫৩ জন বিচারাধীন তালিকায়

Bankura: প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রায় ৮ হাজার ৫৫৩ জনের ভোটাধিকার ঝুলে রয়েছে বিচারকদের টেবিলে। পুনিশোল গ্রামে এমন কোনও পরিবার নেই যেখানে একজন ভোটারের ভোটাধিকার সংক্রান্ত এই জটিলতা তৈরি হয়নি। অনেক পরিবারে একাধিক ভোটারের ভোটাধিকারও ঝুলে রয়েছে বিচারকদের টেবিলে।

SIR News: সংখ্যালঘু গ্রাম হিসাবে পরিচিত, সেখানকারই ৮ হাজার ৫৫৩ জন বিচারাধীন তালিকায়
বাঁকুড়ায় তালিকা দেখছেনImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 05, 2026 | 4:11 PM
Share

বাঁকুড়া: এসআইআর (SIR) শুরুর পর থেকেই আতঙ্ক চেপে বসেছিল গ্রামে। কিন্তু এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা বের হতেই কার্যত হাহাকার শুরু হয়েছে গোটা গ্রাম জুড়ে। কারণ সেই তালিকায় গ্রামের ভোটারদের এক তৃতীয়াংশের নামের পাশে রয়েছে ‘বিচারাধীন’ স্ট্যাম্প। আদৌ তাঁরা ভোটাধিকার ফিরে পাবেন কি না সেই আশঙ্কাই এখন তাড়া করে বেড়াচ্ছে গোটা গ্রামকে। যাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। একে অপরকে দূষে দায় সারছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। ৬০ লক্ষ মানুষ অমীমাংসিতের তালিকা রয়েছে। এই নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল, কংগ্রেস, সিপিএম-এর অভিযোগ, বেছে বেছে সংখ্যালঘুদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। এই আবহের মধ্যে এমন ঘটনা নিতান্তই জল্পনা বাড়িয়েছে।

বাঁকুড়ার ওন্দা ব্লক তো বটেই, সারা জেলার সবথেকে বড় গ্রাম পুনিশোল। আশপাশের দু’একটি ছোট গ্রাম বাদ দিলে শুধুমাত্র পুনিশোল গ্রামকে নিয়েই পুনিশোল গ্রাম পঞ্চায়েত। প্রায় একশো শতাংশ সংখ্যালঘু মানুষের এই গ্রাম পঞ্চায়েতে এসআইআর শুরুর আগে ভোটারের সংখ্যা ছিল ২৮ হাজার ৩১৭ জন। এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হলে দেখা যায় প্রায় এক তৃতীয়াংশ ভোটারের নামের পাশে রয়েছে ‘বিচারাধীন’।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রায় ৮ হাজার ৫৫৩ জনের ভোটাধিকার ঝুলে রয়েছে বিচারকদের টেবিলে। পুনিশোল গ্রামে এমন কোনও পরিবার নেই যেখানে একজন ভোটারের ভোটাধিকার সংক্রান্ত এই জটিলতা তৈরি হয়নি। অনেক পরিবারে একাধিক ভোটারের ভোটাধিকারও ঝুলে রয়েছে বিচারকদের টেবিলে। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে আদৌ তাঁদের ভোটাধিকার প্রশ্নের নিস্পত্তি হবে কি না তা নিয়েই একরাশ শঙ্কা তাড়া করে বেড়াচ্ছে গ্রামের মানুষকে।

স্থানীয়দের দাবি বছরের পর বছর ধরে ভোট দিয়ে এসেছেন তাঁরা। নিয়ম মেনে বৈধ নথির ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় তথ্য সহ জমা দিয়েছেন এনুমারেশান ফর্ম। শুনানিতে ডাক পেয়ে ফের ভোটাধিকার সংক্রান্ত বৈধ নথিপত্র দেখিয়ে এসেছেন নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের। তারপরেও এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকায় এভাবে গ্রামের বিপুল সংখ্যক ভোটারকে বিচারাধীন করার মধ্যে নিশ্চিত ভাবেই ষড়যন্ত্র রয়েছে। শুধুমাত্র নিজেদের ভোটাধিকার রক্ষার জন্য এভাবে আর কতদিন গ্রামের গরিব মানুষকে প্রশাসনিক আধিকারিকদের দরজায় দরজায় ঘুরতে হবে তা জানেন না কেউই।

গ্রামবাসী ফারুক আলি খান বলেন, “জ্ঞানেশ কুমার করেছে এটা। মুসলিম এলাকা বলে বেছে বেছে বিজেপি এই কাজ করেছে।” বিজেপির প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার বলেন, “এই সব ভুল কথা। আসলে এরা বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।”