Malda: আগের রাতেই ভাইকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়েছিলেন ছবি, মধ্যপ্রদেশে বাংলার বধূর যা পরিণতি…
Malda Woman Death Case: পাঁচ বছর আগে চাঁচল থানার দেবীগঞ্জের বাসিন্দা সামাদ আলির সঙ্গে বিয়ে হয় নুরবানুর। সামাদের প্রথম পক্ষের স্ত্রীর মৃত্যুর পর নুরবানু ছিলেন তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী এবং সামাদের প্রথম পক্ষের দুটি সন্তানও রয়েছে। বাপের বাড়ির অভিযোগ, সন্তান না হওয়াকে কেন্দ্র করে প্রায়ই নুরবানুর উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হত।

মালদহ: হোয়াটসঅ্যাপে ভাইকে অকথ্য নির্যাতনের রক্তাক্ত ছবি পাঠানোর ঠিক পরের দিনই বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। সন্তান না হওয়ার জেরে নির্যাতন চালিয়ে স্ত্রীকে খুনের অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীতে, তবে মৃতার বাড়ি মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের সন্তোষপুর গ্রামে। মৃতার নাম নুরবানু বিবি (২৬)।
পরিবার সূত্রে খবর, পাঁচ বছর আগে চাঁচল থানার দেবীগঞ্জের বাসিন্দা সামাদ আলির সঙ্গে বিয়ে হয় নুরবানুর। সামাদের প্রথম পক্ষের স্ত্রীর মৃত্যুর পর নুরবানু ছিলেন তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী এবং সামাদের প্রথম পক্ষের দুটি সন্তানও রয়েছে। বাপের বাড়ির অভিযোগ, সন্তান না হওয়াকে কেন্দ্র করে প্রায়ই নুরবানুর উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হত। প্রায় চার মাস আগে স্বামী সামাদের সঙ্গে উজ্জয়িনীতে যান নুরবানু, যেখানে সামাদের একটি প্লাস্টিকের কারখানা রয়েছে।
পরিবারের দাবি, মৃত্যুর আগের দিনও দম্পতির মধ্যে অশান্তি হয়, সে সময়ে নুরবানুর ওপর চরম নির্যাতন চলে বলে অভিযোগ। নুরবানু তাঁর ভাইকে হোয়াটসঅ্যাপে রক্তাক্ত ছবি পাঠিয়ে পরিস্থিতির কথা জানান। এরপর বুধবার সকালে উজ্জয়িনীর একটি ভাড়া বাড়ি থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শুক্রবার অভিযুক্ত স্বামী সামাদ দেহটি দেবীগঞ্জে নিয়ে আসেন।
মৃতার পরিবারের অভিযোগ, দেহ বাড়িতে পৌঁছনোর পর তা দেখতে গেলে তাঁদের বাধা দেওয়া হয়। পরে নুরবানুর দেহ সন্তোষপুরে বাপের বাড়িতে নিয়ে আসা হলেও, শ্বশুরবাড়ির কেউ উপস্থিত ছিলেন না।
অন্যদিকে, খুনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্বামী সামাদ। তাঁর দাবি, ঘটনার সময় তিনি কাজে বাইরে ছিলেন এবং মৃত্যুর খবর পেয়ে বাড়িতে ফিরে স্ত্রীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
