Malda: সরকারি অফিসে দাঁড়িয়ে গলায় বিষ ঢাললেন গৃহবধূ, তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে গেলে বিডিও
অফিসে কোনও সুরাহা না মেলায় চরম পদক্ষেপ করতে যান তিনি। দফতরের মধ্যেই বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন শুকতারা। তড়িঘড়ি তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ব্লকের যুগ্ম বিডিও সোনম ওয়াঙদী লামা গাড়িতে করে তাঁকে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই গৃহবধূ।

মালদহ: আবাস যোজনা নিয়ে বহু দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। যোগ্যদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বারবার। এবার সেই প্রকল্প নিয়ে অভিযোগ তুলেই সরকারি দফতরে দাঁড়িয়ে গলায় বিষ ঢাললেন গৃহবধূ। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে গাড়িতে করে হাসপাতালে নিয়ে গেলেন জয়েন্ট বিডিও। ঘটনায় তুমুল চাঞ্চল্য। ছবি তুলতে গেলে সংবাদমাধ্যমকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আর এই ঘটনা সামনে আসতেই তোপ বিজেপির, শুরু রাজনৈতিক তরজা।
মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের তাল বাংরুয়ার বাসিন্দা শুকতারা বিবি (৪৫)। অভিযোগ, তাঁর কোনও পাকা বাড়ি নেই। অভাবের সংসারে আশা করেছিলেন ‘আবাস যোজনা’র টাকা থেকে বাড়ি করবেন। প্রথমে তালিকায় নামও ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সেই নাম বাদ চলে যায়। এই নিয়ে অভিযোগ জানাতেই সোমবার হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের অফিসে যান শুকতারা।
অফিসে কোনও সুরাহা না মেলায় চরম পদক্ষেপ করতে যান তিনি। দফতরের মধ্যেই বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন শুকতারা। তড়িঘড়ি তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ব্লকের যুগ্ম বিডিও সোনম ওয়াঙদী লামা গাড়িতে করে তাঁকে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই গৃহবধূ।
এই ঘটনার পর সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সংবাদমাধ্যমকে তৃণমূল বাধা দেয় বলে অভিযোগ। ঘটনা সামনে আসতেই বিজেপির অভিযোগ দুর্নীতির কারণে প্রকৃত উপভোক্তরা ঘর পাচ্ছেন না। সেই কারণেই কেন্দ্র টাকা বন্ধ করে দিয়েছে বলে দাবি বিজেপির। এলাকার বিজেপি নেতা দেবাশিস পাসোয়ান বলেন, “দুর্নীতির জন্য বিষপান ছাড়া মানুষ আর কী করবে? এটা সরকারের লজ্জা।” টাকা ছাড়া কোনও কিছু এই সরকারের আমলে কিছুই হয় না বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। অন্যদিকে, সাফাই দিচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্ব।
