Modi at Malda UPDATES: ‘আসল পরিবর্তনের দিশা দেখাব’, মালদহ থেকে বললেন প্রধানমন্ত্রী
Vande Bharat: মালদহে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। দেশের মধ্যে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন ছুটল মালদহ থেকে। অপর একটি ট্রেন বাংলায় আসছে অসম থেকে। প্রধানমন্ত্রী পতাকা নেড়ে ট্রেনের উদ্বোধন করলেন। বহু মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন ওই ট্রেন দেখতে।

বাংলা সফরের প্রথম দিনে মালদহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মালদা টাউন থেকে চালু হল বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। এই ট্রেনের উদ্বোধনে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত মালদহবাসী। অসমের উদ্দেশে রওনা হল সেই ট্রেন। এদিন ট্রেন উদ্বোধনের পর ট্রেনের ভিতরে প্রবেশ করে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন মোদী। এদিন মালদহে সভাও করছেন তিনি।
সব আপডেট একনজরে:
- অনুপ্রবেশকারীদের প্রসঙ্গে সরব মোদী। বললেন, “বিশ্বের সব উন্নয়নশীল দেশেও অনুপ্রবেশকারীদের বের করে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও অনুপ্রবেশকারীদের বের করে দেওয়া জরুরি। এক এক করে বের করে দেওয়া উচিত। কিন্তু তৃণমূল থাকলে সেটা সম্ভব নয়। আপনাদের জমির সুরক্ষা দেবে না। তৃণমূল নেতারা বছরে পর বছর অনুপ্রবেশকারীদের এখানে বসাচ্ছে। অনুপ্রবেশকারীরা কাজ ছিনিয়ে নিচ্ছে, টাকা নিচ্ছে, অত্যাচার করছে, দেশে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।”
- মালদেহ উন্নয়নের আশ্বাস দিয়ে মোদী বললেন, “বিজেপি সরকার মালদহের আম সম্পর্কিত অর্থনীতি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। সরকার গঠনের পর বাংলায় কোল্ড স্টোরেজের সুবিধা আরও বাড়ানো হবে। রেশম কৃষকদের জন্য কোটি টাকার যোজনা চালাচ্ছে। জুট শিল্পের জন্য কেন্দ্র সবরকমের চেষ্টা চলছে। ২০১৪-র আগে তৃণমূল দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকারের অংশ ছিল, তখন এমএসপি ২৪০০ টাকা ছিল, আজ সেটা সাড়ে ৫ হাজার টাকারও বেশি। অর্থাৎ ডবল হয়ে গিয়েছে।”
- তৃণমূলের কথায় ৪০ বার বন্যাত্রাণের টাকা দেওয়া হয়েছে। এমন লোককে সেই টাকা দেওয়া হয়েছে, যারা ওই টাকা পাওয়ার যোগ্য নয়, যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তারা কোনও টাকা পায়নি। বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন হলে তৃণমূলের সব কালো কারবার বন্ধ হয়ে যাবে: মোদী।
- আমের প্রসেসিং নিয়ে এখানে কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন মোদী। নদির ভাঙন নিয়েও এদিন সরব হন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যেকবার বৃষ্টি হলেও সব ভেসে যায়। আর বন্যাত্রান নিয়ে কী কী হয়েছে, তা আমার থেকে আপনারা ভাল জানেন।’
- আয়ুস্মান ভারত স্কিম বাংলায় চালু করা যাচ্ছে না বলে সরব হন প্রধানমন্ত্রী। বিনামূল্যে বিদ্যুতের পরিষেবাও দিতে দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর কথায়, গরিবের জন্য ভাল হবে, এমন কোনও যোজনা এগোতে দেয় না রাজ্য সরকার। সেই সরকারকে সরানো জরুরি বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
- আমি চাই বাংলার প্রত্যেক মানুষ বাসস্থান পাক, পানীয় জল পাক। কিন্তু এখানকার তৃণমূল সরকার নির্মম। কেন্দ্র দরিদ্র মানুষের জন্য যে টাকা পাঠায়, সেটা এখানে সরকার চুরি করে নেয়। আপনাদের কষ্টের কোনও চিন্তা নেই ওদের। শুধু পকেট ভরানোর চিন্তা: মোদী।
- বাংলা প্রায় আধ ডজন ট্রেন পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। দেশের মধ্যে প্রথম বাংলা থেকেই এই ট্রেন চালু হল। মালদহতেও একটি স্টেশন থাকবে এই ট্রেন রুটের। নতুন অমৃত ভারত ট্রেনও পেয়েছে বাংলা। এর ফলে গোটা উত্তর ভারতের যোগাযোগ পোক্ত হবে: মোদী।
- বিএমসি-তে রেকর্ড ভোটে জিতেছে বিজেপি। দেশের জেন জি-ও বিজেপির উপরেই ভরসা করে। যেখানে বছরের পর বছর বিজেপিকে নিয়ে মিথ্যা কথা বলা হয়েছে, সেখানেও আজ ভোটাররা আশীর্বাদ করছে। এবার বাংলার মানুষ বিপুল ভোটে বিজেপিকে আশীর্বাদ করবে: মোদী।
- ত্রিপুরা, অসম, ওড়িশা, বিহার- সবাই বিজেপির উপরেই ভরসা করছে। পূর্ব ভারতের ভরসা বাড়ছে বিজেপির উপর। বাংলার চারপাশে বিজেপির সুশাসনের সরকার চলছে। এবার বাংলায় সুশাসনের অপেক্ষা। বিহারের জয়ের পরই বলেছিলাম, বাংলাতেও এবার বিকাশের গঙ্গা বইবে। বিজেপি সেটা করে দেখাবে। আপনাদেরও আমার সঙ্গে একটা সংকল্প নিতে হবে। বলতে হবে ‘পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার’ : প্রধানমন্ত্রী।
- আমি বাংলার ভবিষ্যতের জন্য আসল পরিবর্তনের দিশা দেখাব: প্রধানমন্ত্রী।
- আম-আমসত্ত্ব-রেশম আর লোকসঙ্গীতের জন্য মালদহকে সবাই চেনে: প্রধানমন্ত্রী।
- যাঁরা গঙ্গাসাগর, দক্ষিণেশ্বর বা কালীঘাট দর্শন করতে বাংলায় আসেন, যাঁরা বাংলা থেকে তামিলনাড়ু যান, তাঁদের সুবিধা হবে অমৃত ভারত ট্রেনে। আজ প্রচুর ট্রেন তৈরি হচ্ছে ভারতে। রফতানিও হচ্ছে। এতে বহু মানুষের কর্মসংস্থানও হবে: প্রধানমন্ত্রী।
- দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন মা কালী আর মা কামাখ্যার ভূমিকে জুড়ল: প্রধানমন্ত্রী।
- রেলের আধুনিকীকরণে আরও ধাপ এগোল ভারত। যাত্রা হবে আরও আরামদায়ক। বিকশিত ভারত কেমন হবে, তা এই ট্রেনেই আরও স্পষ্ট হয়ে যাবে। আজ সবাই বললেন, এই ট্রেনে বসে এক আলাদা আনন্দ পেলাম। একসময় বিদেশের ট্রেন দেখে ভাবতাম, এমন ট্রেন যদি ভারতে থাকত। আজ সেই স্বপ্ন সত্যি হল: প্রধানমন্ত্রী।
- বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে উৎসাহী যাত্রীরা। যাঁরা প্রথমবার ট্রেনে উঠেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পেরে তাঁরা খুশি।
- ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার সর্বোচ্চ গতিবেগ এই ট্রেনের। তবে ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার গতিবেগে চলবে এই ট্রেন। মোট ১৮টি কামরা রয়েছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে। মোট ৮২৩ যাত্রী এই ট্রেনে সফর করতে পারবেন।