Mausam Noor: তাহলে পার্টি অফিস এখন কার? মৌসম কংগ্রেসে যেতেই বসার জায়গা নিয়ে ধন্দে তৃণমূল কর্মীরা
Malda: প্রসঙ্গত, ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের সময় কংগ্রেস ছেড়েছিলেন মৌসম বেনজির নূর। যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলে। প্রায় সাত বছর পর ঠিক বিধানসভা ভোটের আগে আবারও নিজের ঘরে মৌসম। তৃণমূল ছেড়ে ফের কংগ্রেসে যোগদান করলেন তিনি। কয়েকদিন আগেই মৌসমকে মালদহের কো-অর্ডিনেটরের (হবিবপুর-সুজাপুর) দায়িত্ব দিয়েছিল তৃণমূল।

মালদহ: কয়েকদিন আগেই তৃণমূলের জেলা সভাপতির দায়িত্ব দেওয়ার হয়েছিল মৌসম নূরকে। তবে শনিবার তিনি কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। আর তৃণমূলের জেলা সভাপতি বদলের সঙ্গে-সঙ্গে বদলে গেল তৃণমূলের জেলা কার্যালয়। এখন এই কার্যালয়ে কে বসবে সেটাই ভাবার বিষয়।
মৌসম নুর যখন তৃণমূলের জেলা সভাপতি ছিলেন তখন যে জেলা পার্টি অফিস ছিল তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সেখানেই সেখানেই বসতেন, সেটাই ছিল তৃণমূলের একটা অংশের, বিশেষ করে তাঁর অনুগামীদের কার্যালয়। এলাকার যে তৃণমূলের কার্যালয় রয়েছে সেখানে মৌসম নূর যেতেন না। সেই কার্যালয়ে এখনও তৃণমূলের পতাকা। পোস্টার। ধন্দে তাঁর অনুগামীরাও।
প্রসঙ্গত, ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের সময় কংগ্রেস ছেড়েছিলেন মৌসম বেনজির নূর। যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলে। প্রায় সাত বছর পর ঠিক বিধানসভা ভোটের আগে আবারও নিজের ঘরে মৌসম। তৃণমূল ছেড়ে ফের কংগ্রেসে যোগদান করলেন তিনি। কয়েকদিন আগেই মৌসমকে মালদহের কো-অর্ডিনেটরের (হবিবপুর-সুজাপুর) দায়িত্ব দিয়েছিল তৃণমূল। এমনকী,তিনি ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদও। তবে সব অব্যাহতি দিয়ে ফের ‘ঘরে’ ফিরলেন ঘরের মেয়ে।
মৌসম নূর বলেন, “প্রায় ছ’বছর পর ফিরে এসেছি ভাল লাগছে। আমায় যে ভালবেসে আবার গ্রহণ করেছেন, ঈশাদা যেটা বললেন, সেটাই আমারও বক্তব্য। তৃণমূলও আমায় কাজের সুযোগ দিয়েছে। আমায় জেলা প্রেসিডেন্ট করা হয়েছিল। রাজ্যসভার সাংসদ ছিলাম। তবে আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইস্তফা লেটার জমা দেব। আমি কংগ্রেসের হাইকমান্ড সোনিয়াজি থেকে সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আজ বরকত সাহেবের কথা মনে হচ্ছে। আমার মা সারা জীবন কংগ্রেসকে মজবুতের কাজ করেছে। কংগ্রেসের পরিবার হিসাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি আর আলাদাভাবে নয়, একসঙ্গে কাজ করব। পরিবার হিসাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সাধারণ মানুষও চায় কংগ্রেস আগামী দিনে ভাল জায়গায় যাক।”
