Minor Harassed: আমের লোভ দেখিয়ে নাবালিকাকে কোয়ার্টারে নিয়ে গিয়ে…গ্রেফতার CISF জওয়ান
Asansol Minor Girl allegedly Harassed: জানা গিয়েছে, রবিবার দুপুরে শীতলপুরে সিআইএসএফ ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় ১০ বছরের ওই নাবালিকা আম কুড়াতে গিয়েছিল। অভিযোগ, সেখানে কর্মরত সিআইএসএফ জওয়ান রমাকান্ত বিশ্বকর্মা মিষ্টি আম দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ওই ১০ বছরের নাবালিকাকে নিজের কোয়ার্টারে নিয়ে যান। সেখানে ওই নাবালিকার শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ।

আসানসোল: আমের প্রলোভন দেখিয়ে নাবালিকার শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল সিআইএসএফ জওয়ানের বিরুদ্ধে। ঘটনায় ওই জওয়ানকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃত জওয়ানের নাম রমাকান্ত বিশ্বকর্মা। পশ্চিম বর্ধমানের কুলটির ঘটনা। রবিবার রাতে ওই জওয়ানকে কুলটি থানার সাঁকতোরিয়া ফাঁড়ির পুলিশ গ্রেফতার করে। প্রথমে জওয়ানকে সাসপেন্ড করা হয় বলে খবর। পরে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয় অভিযুক্তকে।
কোয়ার্টারে নিয়ে গিয়ে শ্লীলতাহানি
জানা গিয়েছে, রবিবার দুপুরে শীতলপুরে সিআইএসএফ ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় ১০ বছরের ওই নাবালিকা আম কুড়াতে গিয়েছিল। অভিযোগ, সেখানে কর্মরত সিআইএসএফ জওয়ান রমাকান্ত বিশ্বকর্মা মিষ্টি আম দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ওই ১০ বছরের নাবালিকাকে নিজের কোয়ার্টারে নিয়ে যান। সেখানে ওই নাবালিকার শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। বাড়িতে গিয়ে ঠাকুমাকে সবটা জানায় ওই নাবালিকা। তারপরই কোয়ার্টারে যায় নাবালিকার পরিবার। কিন্তু, ততক্ষণে কোয়ার্টারে তালা দিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। পরে কুলটি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে পরিবার।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র বিক্ষোভ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা রবিবার রাতে শীতলপুর তিন নম্বর গেটের কাছে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ওই বিক্ষোভে সামিল ছিল জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাঁকতোরিয়া ফাঁড়ির পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করে। অভিযুক্ত জওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়। তৃণমূল নেতা চন্দন আচার্য জানান, পুলিশি তৎপরতায় ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। সোমবার পুলিশি নিরাপত্তায় অভিযুক্ত রমাকান্ত বিশ্বকর্মাকে আসানসোল আদালতে তোলা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার গভীরে গিয়ে তদন্ত চালানোর স্বার্থে এবং তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের জন্য অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে। ধৃতের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই পকসো (POCSO) আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
ঘটনায় সুর চড়িয়েছে তৃণমূল। TMC নেতৃত্বের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার যে বাহিনীর ওপর ভরসা করে বাংলায় নির্বাচন পরিচালনা করছে, সেই বাহিনীর সদস্যেরই এমন আচরণ অত্যন্ত লজ্জাজনক।
সিআইএসএফ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শৃঙ্খলা ও সততার প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে যেকোনও অপরাধের ক্ষেত্রে বাহিনী ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে। বর্তমানে অভিযুক্ত পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন।
