Adhir Ranjan Chowdhury: না-সাংসদ, না-বিধায়ক, অধীররঞ্জন চৌধুরীকে নিয়ে বড় আপডেট
Adhir Ranjan Chowdhury Security Downgraded: ১৯৯৯ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বহরমপুরের সাংসদ ছিলেন অধীর। একজন সাংসদ হিসেবে ওয়াই প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পেতেন তিনি। ওয়াই প্লাস ক্যাটেগরির পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের দু'জন কনস্টেবল থাকতেন অধীরের নিরাপত্তায়। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ইউসুফ পাঠানের কাছে হেরে যান অধীর।

বহরমপুর: আড়াই দশক সাংসদ ছিলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও হয়েছেন। এখনও রাজ্যের কংগ্রেসের অন্যতম নেতা তিনি। সেই অধীররঞ্জন চৌধুরীর নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা হয়েছে। এতদিন ওয়াই প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পেতেন তিনি। এবার থেকে এক্স ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পাবেন বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদ। তাঁর নিরাপত্তায় কাটছাঁট হওয়ার পর অধীর অবশ্য জানিয়ে দিলেন, নিরাপত্তার ক্যাটেগরি নিয়ে তিনি মাথা ঘামান না।
১৯৯৯ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বহরমপুরের সাংসদ ছিলেন অধীর। একজন সাংসদ হিসেবে ওয়াই প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পেতেন তিনি। ওয়াই প্লাস ক্যাটেগরির পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের দু’জন কনস্টেবল থাকতেন অধীরের নিরাপত্তায়। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ইউসুফ পাঠানের কাছে হেরে যান অধীর। পরাজয়ের পরও তাঁর ওয়াই প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা এতদিন বজায় ছিল। এই নিয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলেছিলেন। সাংসদ পদ চলে যাওয়ার পরও কেন অধীরকে ওয়াই প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে খোঁচা দেন। বিজেপির সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগকে অবশ্য পাত্তা দেননি অধীর। এবার অধীরের নিরাপত্তায় কাটছাঁট করল কেন্দ্র। এক্স ক্যাটেগরির নিরাপত্তায় এবার থেকে অধীরের সঙ্গে ২ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এবং ২ জন রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল থাকবে।
নিরাপত্তায় কাটছাঁট নিয়ে কী বললেন অধীর?
নিরাপত্তায় কাটছাঁট নিয়ে এদিন অধীর বলেন, “নিরাপত্তা কম করা হয়েছে। প্রয়োজন হয়েছে, কমিয়ে দিয়েছে। কী ক্যাটেগরির আমি জানি না। চার-পাঁচজন ফৌজ থাকেন। কোন ক্যাটেগরি নিয়ে আমি মাথা ঘামাই না, তবে এখনও পর্যন্ত আছে। আমি অবশ্য কোনওদিন নিরাপত্তার জন্য দরখাস্ত করিনি। না রাজ্যের কাছে। না কেন্দ্রের কাছে। এটা বলে রাখি।”
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বহরমপুর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন প্রাক্তন সাংসদ। কিন্তু, হেরে যান। একসময় প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন তিনি। এখন সেই পদেও নেই। ফলে হঠাৎ করে অধীরের নিরাপত্তায় কাটছাঁট করার কারণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে।
