
মুর্শিদাবাদ: এসআইআর-এর শুনানি চলাকালীন তুমুল তাণ্ডব চলে মুর্শিদাবাদের ফরাক্কার বিডিও অফিসে। গত ১৪ জানুয়ারি সেই ঘটনায় নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। নির্বাচন কমিশনের তরফে মনিরুলের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দেওয়া হয় বৃহস্পতিবার। ডেডলাইনও বেঁধে দেওয়া হয়। সেই ডেডলাইন পেরিয়ে প্রায় ২৪ ঘণ্টা পার হতে চলল, এখনও কোনও এফআইআর দায়ের হয়নি।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার মধ্যে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেই ডেডলাইন পার হয়ে যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, তাদের কাছে কোনও অভিযোগ যায়নি এখনও। তাই কোনও এফআইআরও দায়ের হয়নি। প্রশ্ন উঠছে, কমিশনের নির্দেশ কেন এভাবে অমান্য করা হচ্ছে? এই নির্দেশ প্রসঙ্গে মনিরুল আগেই বলেছেন, “আইন আইনের পথে চলবে বিচার ব্যবস্থার পথ খোলা আছে।”
এফআইআরের ক্ষেত্রে কেন এত বিলম্ব, সেই প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, “রাজ্যের অফিসারদের ক্ষমতা আছে এফআইআর করার? জেলাশাসকের ক্ষমতা নেই যে তিনি নির্দেশ দেবেন। তাই পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরও এভাবেই চলবে আর এফআইআরের এই অবস্থাই হবে।” তবে তৃণমূল এই নির্দেশের তীব্র বিরোধিতা করেছে। দলের মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদারের বক্তব্য, “মানুষ প্রতিবাদ করবে না তো কারা করবে। ব্যবস্থা নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।”
নিরাপত্তার স্বার্থে কমিশন ইতিমধ্যেই নির্দেশ দিয়েছে যে, কোনও শুনানি কেন্দ্রে অশান্তি হলে, সেখানে অনির্দিষ্টকালের জন্য শুনানি বন্ধ থাকবে। নিরাপত্তার দায়িত্ব রাজ্যের উপরেই দিয়েছে কমিশন। সেখানে বিধায়কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে কমিশনের কী পদক্ষেপ থাকবে, সেটাই এখন মূল প্রশ্ন।