Suvendu Adhikari: ‘বিএসএফ না থাকলে অশান্তিকারীরা পুলিশকে শেষ করে দিত’, মুর্শিদাবাদে স্থায়ী বাহিনী মোতায়েনের দাবি শুভেন্দুর
Suvendu Adhikari: মুর্শিদাবাদের অশান্তিতে প্রথম থেকেই শাসকদলের তরফ থেকে দাবি করা হচ্ছিল, বিএসএফ এই অশান্তি রুখতে ব্যর্থ হয়েছে। কারণ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতেই বেশি অশান্তি হয়েছে। আর বহিরাগতরা বাইরে থেকে এসে অশান্তি পাকিয়ে চলে গিয়েছে। সেক্ষেত্রে বিএসএফের একাংশকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ।

মুর্শিদাবাদের অশান্তিতে প্রথম থেকেই শাসকদলের তরফ থেকে দাবি করা হচ্ছিল, বিএসএফ এই অশান্তি রুখতে ব্যর্থ হয়েছে। কারণ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতেই বেশি অশান্তি হয়েছে। আর বহিরাগতরা বাইরে থেকে এসে অশান্তি পাকিয়ে চলে গিয়েছে। সেক্ষেত্রে বিএসএফের একাংশকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ।
সোমবারও কুণাল বলেন, “সীমান্তবর্তী এলাকায় সীমান্ত রাখার দায়িত্ব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের, বিএসএফের। যদি ওপাশ থেকে এপাশে হামলাকারীরা ঢুকে উস্কানি দেয়, হামলা চালায়, দায়িত্ব বিএসএফের। সেটা দেখেন অমিত শাহ। ফলে রাজ্যপালের সুপারিশে থাকা উচিত ছিল, বিএসএফ, যারা নিজেদের দায়িত্ব ১৫ কিলোমিটার থেকে ৫০ কিলোমিটার করে নিয়েছে, তাদের সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। কিন্তু তার বদলে বিজেপিকে খুশি করার মতো ইঙ্গিতপূর্ণ কলুষিত করা হয়েছে। এটা একটা রাজনৈতিক পত্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে লেখা।” কিন্তু শুভেন্দু সভায় দাঁড়িয়ে রাজ্য পুলিশ প্রশাসনের ব্যর্থতাকেই দায়ী করলেন।
উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রীর সফরের আগেই সামসেরগঞ্জ থানার অপসারিত ওসিসহ ২ পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করেন জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার। সাসপেন্ড করা হয়েছে সামসেরগঞ্জ থানার তৎকালীন ওসি শিবপ্রসাদ ঘোষ ও তৎকালীন সেকেন্ড অফিসার জালালউদ্দিন আহমেদকে।
উল্লেখ্য, মুর্শিদাবাদের অশান্তিতে প্রথম থেকেই স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করছিলেন, অশান্তির সময়ে পুলিশকে ফোন করে জানিয়েও কোনও সাহায্য পাননি তাঁরা। এলাকায় পুলিশকে দেখাই যায়নি। অবাধে চলেছে হিংসা।

