AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Xi Jinping message to Trump: দেশে ডেকে ট্রাম্পকে নরমে-গরমে কী বোঝালেন শি জিনপিং?

US-China Meeting: শি জিনপিং বলেন যে বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের মধ্যে সম্পর্ক আজ বিশ্বের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। একইসঙ্গে তিনি একথাও বলেন যে এই সম্পর্ককে সফল করতেই হবে এবং কখনওই যেন তা নষ্ট না করা হয়।

Xi Jinping message to Trump: দেশে ডেকে ট্রাম্পকে নরমে-গরমে কী বোঝালেন শি জিনপিং?
একসঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শি জিনপিং।Image Credit: PTI
| Updated on: May 14, 2026 | 6:49 PM
Share

বেজিং: নজিরবিহীন ছবি। চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping)-র সঙ্গে দেখা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। স্টেট ব্যাঙ্কোয়েটে দুই রাষ্ট্রপ্রধান হাতে ওয়াইনের গ্লাস উঁচিয়ে ধরলেন, চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বললেন, চিনের নবজীবন এবং ট্রাম্পের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ (Make America Great Again) ভিশন একসঙ্গেই হতে পারে।

শি জিনপিং বলেন যে বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের মধ্যে সম্পর্ক আজ বিশ্বের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। একইসঙ্গে তিনি একথাও বলেন যে এই সম্পর্ককে সফল করতেই হবে এবং কখনওই যেন তা নষ্ট না করা হয়।

এ দিন বেজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে দাঁড়িয়ে শি জিনপিং বলেন, “চিন ও আমেরিকা-উভয় দেশের মানুষরাই অসাধারণ। চিনের পুনর্জীবন ও আমেরিকার আবার সেরা হওয়ার স্বপ্ন হাতে হাত মিলিয়েই হতে পারে। আমরা একে অপরকে সফল হতে সাহায্য করতে পারি এবং গোটা বিশ্বের উন্নতির লক্ষ্যে কাজ করতে পারি।”

তিনি আরও বলেন, “চিন ও আমেরিকা-উভয়ই এই সহযোগিতা থেকে উপকৃত হবে। সংঘাতে দুজনেরই ক্ষতি। আমাদের শত্রুর থেকে বন্ধু হওয়া উচিত।

চিনা প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। যেখানে বিগত বেশ কয়েক বছর ধরেই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য নিয়ে লড়াই চলছে, একে অপরের উপরে নিষেধাজ্ঞা চাপাচ্ছে এবং তাইওয়ান নিয়ে বিরোধ বেড়ে চলেছে, সেখানে শি জিনপিংয়ের আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নতির বার্তা গোটা বিশ্বের নজর কেড়েছে।

তবে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের আগে শি জিনপিং মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে তাইওয়ান ইস্যুই চিন-আমেরিকার সম্পর্কের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। এই বিষয়টি যদি সঠিকভাবে না সামলানো হয়, তাহলে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

উল্লেখ্য, স্বশাসিত তাইওয়ানকে নিজের দেশের অংশ বলেই মনে করে চিন। তাইপেই-কে মার্কিন সেনা ও রাজনৈতিক সমর্থন নিয়ে বারবার আপত্তি তুলেছে। তবুও সেই আপত্তিকে গুরুত্ব দেয়নি আমেরিকা। তারা নানা রকমের অস্ত্র সরবরাহ করে এসেছে।

Follow Us