TMC: ‘২০ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিলেন…’, বিএলও-র আত্মহত্যায় গ্রেফতার তৃণমূল সমর্থক
পুলিশের দাবি, এই বিএলও-র কাছ থেকে ২০ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিলেন বুলেট খান নামে ওই ব্যক্তি। পরবর্তীতে বুলেট খান সেই টাকা ফেরত দেননি, এমনকী টাকা চাইলে খুনের হুমকি দেওয়া হত বলেও অভিযোগ। পুলিশের এফআইআরে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে বুলেট খানের বিরুদ্ধে।

মুর্শিদাবাদ: এসআইআর-এর কাজের চাপে আত্মঘাতী বিএলও! মুর্শিদাবাদের ঘটনায় এমনই অভিযোগ তুলেছিল তৃণমূল। সেই বিএলও-র মৃত্যুতে এবার গ্রেফতার করা হল এক তৃণমূল সমর্থককে। মুর্শিদাবাদে বিএলও-র মৃত্যু নিয়ে সোমবার নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে মিছিলও করেন তৃণমূলপন্থী বিএলও-রা। অভিযোগ ছিল, এসআইআর-এর চাপে মৃত্যু হয়েছে। এবার সেই বিএলও-র মৃত্যুর আসল কারণ সামনে আসছে!
সোমবার গ্রেফতার করা হয়েছে মুর্শিদাবাদের রানিতলা থানা এলাকার বাসিন্দা তৃণমূল সমর্থক বুলেট খানকে। এদিন লালবাগ মহকুমা আদালতে তোলা হয় তাঁকে। তাঁর পাঁচদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শনিবার রাতে ভগবানগোলা ২ নম্বর ব্লকের আখরিগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত আলাইপুর গ্রামের বিএল ও হামিমুল ইসলামের মৃতদেহ উদ্ধার হয় স্কুলের ভিতরে থেকে।
পুলিশের দাবি, এই বিএলও-র কাছ থেকে ২০ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিলেন বুলেট খান নামে ওই ব্যক্তি। পরবর্তীতে বুলেট খান সেই টাকা ফেরত দেননি, এমনকী টাকা চাইলে খুনের হুমকি দেওয়া হত বলেও অভিযোগ। পুলিশের এফআইআরে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে বুলেট খানের বিরুদ্ধে।
এই অভিযোগ সামনে আসার পর বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “এটাই তৃণমূল। মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। মানুষকে ভুল বুঝিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে।” তবে বিএলও অধিকার মঞ্চের আহ্বায়ক বাপ্পাদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এভাবে মৃত্যু নিয়ে ছেলেখেলা চলছে। তিনি বলেন, “বিএলও-দের অধিকার নিয়ে কমিটি লড়াই করবে, সংগ্রাম করবে।”
