Nadia: শুনানিতে যাওয়া সাড়ে ৫০০ জনের মধ্যে ৩৫০ জনের নাম বাদ! আতঙ্ক একটা গোটা গ্রামে
এই সকল বাসিন্দাদের বক্তব্য, তাঁরা বাংলাদেশ থেকে এসেছেন। কিন্তু তাঁদের সবকিছু নথিপত্র রয়েছে। সেগুলি জমা দেওয়া সত্বেও কেন তাঁদের ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গেল তাই বুঝে উঠতে পারছেন না। তবে তাঁরা জানিয়েছেন, ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে তাঁদের পরিবারের একাধিক ভোটারদের নাম ছিল না।

নদিয়া: একই বুথে SIR শুনানিতে ডাক পড়েছে ৫৫০ জন ভোটার। তালিকা থেকে নাম বাদ গেল প্রায় ৩৫০ জনের। গোটা দেশ যখন হোলির দিনে রঙের খেলায় মেতে উঠেছিল বুধবার, ঠিক তখনই ঘরের মধ্যেই বসে দুশ্চিন্তায় ভয়ে দিন কাটচ্ছে গোটা এলাকা মানুষ। আতঙ্কে একটা গোটা গ্রাম। আগামী দিন কী হবে তাঁদের? এই নিয়েই ভেবে আকুল তারা।
শান্তিপুর থানার অন্তর্গত হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬৬ নম্বর বুথ নীল কুঠিপাড়া। এখানে মোট ভোটার ছিল ১,০২৫ জন। তার মধ্যে ৫০ জন মৃত ভোটার আগেই বাদ চলে যান। এরপর মোট ভোটার এসে দাড়ায় ৯৭৫ জন। এসআইআর শুনানিতে প্রায় সাড়ে পাঁচশো জনকে ডাকা হয়। ফাইনাল লিস্ট বেরনোর পর দেখা গেল সেই শুনানিতে যাওয়া সাড়ে ৫০০ জন ভোটারের মধ্যে ৩৫০ জন ভোটারের নাম বাদ চলে যায় তালিকা থেকে। আর চূড়ান্ত তালিকা বেরতেই চিন্তায় ঘুম উড়েছে বাসিন্দাদের।
এই সকল বাসিন্দাদের বক্তব্য, তাঁরা বাংলাদেশ থেকে এসেছেন। কিন্তু তাঁদের সবকিছু নথিপত্র রয়েছে। সেগুলি জমা দেওয়া সত্বেও কেন তাঁদের ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গেল তাই বুঝে উঠতে পারছেন না। তবে তাঁরা জানিয়েছেন, ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে তাঁদের পরিবারের একাধিক ভোটারদের নাম ছিল না।
আর এক বাসিন্দা বলেন, “বিএলও-র গাফিলতির কারণেই তাঁদের হয়রানির মধ্যে পড়তে হচ্ছে।” যদিও, ভোটারদের তোলা অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন বিএলও। তিনি বলেন, “যাঁদের ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গেছে তাঁরা সম্পূর্ণ ফর্ম পূরণ করেননি। নির্বাচন কমিশনের যে নিয়ম-বিধির রয়েছে সেই নিয়মবিধি অনুযায়ী তাঁদের এসআইআর শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। সেখানেও তাঁরা তাদের যথেষ্ট সংস্থাপত্র দেখাতে পারেনি। তবে আগামী দিনে এই সাড়ে তিনশোর ভোটারের ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছে সকলে।”
