Man Dies at Tribunal: ট্রাইবুন্যালে দাঁড়িয়েছিলেন কাগজপত্র হাতে, হঠাৎ মাটিতে পড়ে গেলেন বৃদ্ধ, তারপর সব শেষ
Elderly Man Death During Tribunal Hearing: ঘটনাটি ঘটে রানাঘাট মৌল কুমার শাসকের দফতরে। জীবনকৃষ্ণ বাবুর পরিবারে রয়েছে চার কন্যা এবং এক পুত্র। কর্মসূত্রের তাঁরা ভীন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করেন। তবে চার কন্যার বিয়ে হলেও মেয়েরাই বাবাকে দেখাশোনা করতেন। চম্পা বিশ্বাসের দাবি, বৃহস্পতিবার সকালে বগুলা থেকে ট্রেনে করে রানাঘাটে SDO অফিসে এসেছিলেন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে।

বগুলা: এসআইআর (SIR) ট্রাইবুনালের লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। তারপরই অসুস্থ হয়ে মৃত্যু ৬৮ বছরের এক বৃদ্ধের। মৃত ব্যক্তির নাম জীবনকৃষ্ণ বিশ্বাস। তাঁর বাড়ি হাঁসখালি থানার বগুলা এলাকায়। জানা যাচ্ছে, পরিবারের সকলের নাম থাকলেও ওই বৃদ্ধ ও তাঁর এক মেয়ের নাম ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গিয়েছে। সেই কারণে ট্রাইবুন্যালে এসেছিলেন। পরিবারের দাবি, চিন্তায় অসুস্থ হয়ে পড়েন জীবনকৃষ্ণবাবু। এরপর তড়িঘড়ি তাঁকে রানাঘাট মহাকুমা হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে।
ঘটনাটি ঘটে রানাঘাট মৌল কুমার শাসকের দফতরে। জীবনকৃষ্ণ বাবুর পরিবারে রয়েছে চার কন্যা এবং এক পুত্র। কর্মসূত্রের তাঁরা ভীন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করেন। তবে চার কন্যার বিয়ে হলেও মেয়েরাই বাবাকে দেখাশোনা করতেন। চম্পা বিশ্বাসের দাবি, বৃহস্পতিবার সকালে বগুলা থেকে ট্রেনে করে রানাঘাটে SDO অফিসে এসেছিলেন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে। কিন্তু লাইনে দাঁড়িয়ে হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে তড়িঘড়ি রানাঘাট আনুলিয়া হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
প্রসঙ্গত, এই ঘটনা এই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিকবার এসআইআর-এর আতঙ্কে একাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সেই ঘটনায় এবার নেমে এসেছে শোকের ছায়া। মৃতের মেয়ে বলেন, “যা ক্ষতি হওয়ার আমাদেরই তো হল। কাকে বলব, কে শুনবে আমাদের কথা। আমার বাবার মৃত্যুর জন্য রাজনীতি দায়ী।”
