Nadia: সব ঠিকই ছিল, রাতেই গেল শেষ ফোনটা, ভোরেই উদ্ধার ফারুক-করিমার লাশ
Nadia Body Recovered: ক্লাইম্যাক্স মর্মান্তিক। প্রেমিকাকে ফোন করে আত্মঘাতী প্রেমিক। আর তারপরই একই পথ বেছে নিল প্রেমিকাও। সকালে দুই বাড়ি থেকেই উদ্ধার হল যুবক যুবতীর ঝুলন্ত দেহ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ফারুক গাজি (২৪) ও করিমা খাতুন(২০) করিমা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে মাটিয়ার মমিনপুর এলাকায়।

নদিয়া: ৯০-এর দশকের সিনেমার গল্পের মতো ছিল খানিকটা তাঁদের প্রেম। মেয়ে উচ্চবিত্ত পরিবারের, আর ছেলে সামান্য সেলাই মিস্ত্রি। এলাকারই একটি দোকানে কাজ করে কোনওরকমে সংসার চলে। বাড়িতে বৃদ্ধা মা! প্রথমে ফোনে আলাপ, তারপর আস্তে আস্তে দেখাসাক্ষাৎ, দুজনেরই এলাকার, তাই দেখা হত চলাফেরার পথেই। সেই থেকে প্রেম। পাঁচ বছর প্রেমের পর বিয়ের সিদ্ধান্ত। কিন্তু উচ্চবিত্ত পরিবার কোনওভাবেই মেয়ের বিয়ে ওই যুবকের সঙ্গে দিতে নারাজ! আর ক্লাইম্যাক্স মর্মান্তিক। প্রেমিকাকে ফোন করে আত্মঘাতী প্রেমিক। আর তারপরই একই পথ বেছে নিল প্রেমিকাও। সকালে দুই বাড়ি থেকেই উদ্ধার হল যুবক যুবতীর ঝুলন্ত দেহ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ফারুক গাজি (২৪) ও করিমা খাতুন(২০) করিমা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে মাটিয়ার মমিনপুর এলাকায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ফারুক গাজি পেশায় সেলাই মিস্ত্রি। স্থানীয় একটি সেলাইয়ের কারখানায় কাজ করে। করিমা খাতুন এলাকারই মেয়ে , কিন্তু ফারুক গাজীর তুলনায় করিমা খাতুনদের আর্থিক অবস্থা অনেকটাই ভাল।
ফারুক গাজি ও করিমা খাতুনের প্রথমে মোবাইলে আলাপ, তারপরে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক। এরপর তাঁরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয় এবং যে যার পরিবারকে বিয়ের ঘটনা জানায় ।
কিন্তু ফারুক গাজির পরিবার রাজি থাকলেও করিমা খাতুনের পরিবার এই বিয়েতে রাজি হয় না। ফারুক গাজির পরিবারের পক্ষ থেকে বহুবার করিমা খাতুনের বাড়িতে গিয়ে রাজি করানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে।
অবশেষে গতকাল রাতে ফারুক গাজি ফোনে করিমা খাতুনকে জানায় যে সে আত্মহত্যা করছে । এরপর আজ ভোরে দুই বাড়ির দুটি ঘর থেকে দুজনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় । প্রেমিকের আত্মহত্যার কথা শুনে প্রেমিকাও আত্মহত্যা করে । দুটি দেহ উদ্ধার করে মাটিয়া থানার পুলিশ বসিরহাট পুলিশ মর্গে নিয়ে গিয়েছে। দুটি পরিবারকেই থানায় ডাকা হয়েছে বিস্তারিত জানার জন্য। আজ তাদের ময়নাতদন্ত হবে ।
