AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Murder Case: মেয়ের টিউশন ফি-র ৩০ টাকা নিয়ে ঝামেলা, স্ত্রীকে মেরে থানায় ধরা দিল স্বামী

Murder Case in Haroa: স্থানীয় সূত্রে খবর, সূত্রে খবর, কিছু সময় আগে বছর তেইশের রুবিয়া সুলতানার সঙ্গে বিয়ে হয় রবিউল ইসলামের। রবিউল পেশায় সবজি বিক্রেতা। তাঁদের এক কন্যা সন্তান রয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম জানাচ্ছেন, মেয়ের প্রাইভেট টিউশনের ফি-র ৩০ টাকা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সদ্য তুমুল ঝামেলা হয়। তারমধ্যেই এ ঘটনা।

Murder Case: মেয়ের টিউশন ফি-র ৩০ টাকা নিয়ে ঝামেলা, স্ত্রীকে মেরে থানায় ধরা দিল স্বামী
অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি এলাকার লোকজনের Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 10, 2026 | 3:06 PM
Share

হাড়োয়া: মাত্র ৩০ টাকার জন্য স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ব্যাপক ঝামেলা। ঝামেলার জল গড়ায় গ্রামের সালিশি সভা পর্যন্ত। সেখানে তা মিটেও যায়। তারপরেও এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে এত বড় কাণ্ড ঘটে যাবে তা ভাবতেই পারছেন না প্রতিবেশীরা। গলা টিপে স্ত্রীকে খুনের অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে। শেষে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ স্বামীর। চাঞ্চল্যকর ঘটনা হাড়োয়া থানার সোনাপুকুর-শঙ্করপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বরোজ পশ্চিমপাড়া গ্রামে। 

স্থানীয় সূত্রে খবর, সূত্রে খবর, কিছু সময় আগে বছর তেইশের রুবিয়া সুলতানার সঙ্গে বিয়ে হয় রবিউল ইসলামের। রবিউল পেশায় সবজি বিক্রেতা। তাঁদের এক কন্যা সন্তান রয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম জানাচ্ছেন, মেয়ের প্রাইভেট টিউশনের ফি-র ৩০ টাকা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সদ্য তুমুল ঝামেলা হয়। এমনকী ঝামেলা এমন পর্যায় চলে যায় যে গ্রামে সালিশি সভাও ডাকতে হয়। সালিশি সভায় ঝামেলা মিটেও যায়। ফের দু’জনে বাড়ি ফিরে যান। কিন্তু তারমাঝেই ভোর রাতে ঘটে যায় এই ঘটনা। সকলকে অবাক করে দিয়ে রবিউল আবার নিজেই গিয়ে হাড়োয়া থানায় আত্মসমর্পণও করে।

তখনই দ্রুত রবিউলের বাড়িতে ছুটে যায় পুলিশ। রুবিয়াকে উদ্ধার করে হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে দেন। তারপরই মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বসিরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। ইতিমধ্যেই খুনের মামলা রুজু করে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে পুলি। অপেক্ষা এখন ময়নাতদন্তের রিপোর্টের। এই ঘটনায় অভিযুক্তের কঠোরতম শাস্তির দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা।