AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Kakoli Ghosh Dastidar: ‘৪ দশকের আনুগত্যের পুরস্কার’, পদ খুইয়ে অভিমানী কাকলি

Kakoli Ghosh Dastidar Cryptic Post: আগে কাকলির ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার একাধিক 'বিদ্রোহমূলক' পোস্ট করেছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূল নেতৃত্বের কড়া সমালোচনা করে সিপিএম নেতৃত্ব এবং মহম্মদ সেলিমের প্রশংসা করেছিলেন। আবার আরও একটি পোস্টে কাকলির পুত্র লেখেন,"আমার মাকে প্রশ্ন করার কোনও প্রয়োজন নেই। অনুগ্রহ করে প্রশ্ন করুন সব্যসাচী দত্ত কোথায়?"

Kakoli Ghosh Dastidar: '৪ দশকের আনুগত্যের পুরস্কার', পদ খুইয়ে অভিমানী কাকলি
কাকলি ঘোষ দস্তিদারImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: May 15, 2026 | 10:47 AM
Share

বারাসত : পালাবদলের পর থেকে বেসুরো একাধিক তৃণমূল (TMC) নেতা। বেফাঁস মন্তব্য করেছেন অনেকেই। সেই তালিকায় রয়েছেন মুখপাত্র থেকে বিধায়কও। কখনও সংবাদমাধ্যমের সামনে কখনও সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন। শুধু তাই নয়, তৃণমূলের পরাজয়ের পিছনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) ও আইপ্যাককেই (I-PAC) দায়ী করছেন তাঁরা। দলের অন্দরে এরকম ‘বিদ্রোহী’ নেতাদের ভিড় জমেছে বলা চলে। এবার কি সেই দলে নাম লেখালেন লোকসভার সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদারও (Kakoli Ghosh Dastidar)? সম্প্রতি, সোশ্যাল মিডিয়ায় ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেছেন তিনি। তারপর থেকেই জল্পনা বাড়ছে।

মুখ্য সচেতক পদ থেকে সরানো হল কাকলিকে

লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতক পদ থেকে বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই জায়গায় চিফ হুইপ করা হয়েছে শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। গত বছরের অগস্ট মাসে আচমকাই লোকসভার মুখ্য সচেতক পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন কল্যাণ। মমতা সেই ইস্তফা গ্রহণ করে কাকলিকে ওই দায়িত্ব দেন। কিন্তু ৯ মাসের মাথাতেই ফের কল্যাণকে ওই পদে ফিরিয়ে আনলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু গোটা বিষয়টা একেবারেই যে ভালো চোখে দেখেননি কাকলি, তা তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট থেকেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। সমাজমাধ্যমে দলের বিরুদ্ধে অভিমানী পোস্ট করলেন বারাসতের সাংসদ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখলেন কাকলি?

কাকলি ঘোষ দস্তিদার লেখেন, “৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪ থেকে পথচলা শুরু। ৪ দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরষ্কৃত হলাম।” সাংসদের পোস্ট দেখে স্পষ্ট যে, পদস্খলনে তিনি রীতিমতো ক্ষুব্ধ। এর আগে কিন্তু কাকলির ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার একাধিক ‘বিদ্রোহমূলক’ পোস্ট করেছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূল নেতৃত্বের কড়া সমালোচনা করে সিপিএম নেতৃত্ব এবং মহম্মদ সেলিমের প্রশংসা করেছিলেন।

আবার আরও একটি পোস্টে কাকলির পুত্র লেখেন,”আমার মাকে প্রশ্ন করার কোনও প্রয়োজন নেই। অনুগ্রহ করে প্রশ্ন করুন সব্যসাচী দত্ত কোথায়?” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ছেলের এই পোস্টের পরই হয়তো পদ হারাতে হল কাকলিকে।

ছেলের পর এবার মা-ও বেসুরো। প্রকাশ্যে নিজের ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন দলের পুরনো কর্মী। তাঁর এই মন্তব্যের পর তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি এখনও পর্যন্ত।

Follow Us