Suvendu Adhikari on Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে দু’হাতে মহিলার চোখের জল মোছালেন শুভেন্দু
Sandeshkhali: এ দিন, ধামাখালির ঘাট থেকে নৌকায় চড়ে সন্দেশখালির ঘাটে নামেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর টোটোয় চড়ে প্রথমে গ্রামে প্রবেশ করেন। তারপর হেঁটে হেঁটে গ্রামের মহিলাদের সঙ্গে কথা বলেন। বিরোধী দলনেতাকে দেখে ঝরে পড়ে পুস্পবৃষ্টি।
সন্দেশখালি: কেউ বাজালেন শাঁখ, কেউ উলুধ্বনি, কেউ বা ব্যস্ত ফুল ছড়াতে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও শঙ্কর ঘোষ সন্দেশখালি পৌঁছতেই কার্যত সেখানকার পরিস্থিতি বদলে গেল এক লহমায়। দলে-দলে বেরিয়ে গ্রামের মহিলা। নিজেদের অভাব-অভিযোগ যেমন জানালেন। তেমনই বরণ করে নিলেন বিরোধী দলনেতাকে।
সন্দেশখালি যেতে পরপর দু’বার বাধা পেয়েছিলেন শুভেন্দুরা। শুধু শুভেন্দু কেন, এখনও অবধি কোনও রাজনৈতিক বিরোধী দলকেই পুলিশ প্রবেশ করতে দেয়নি। তবে হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে সব বাধা সরিয়ে আজ প্রথম সন্দেশখালির মহিলাদের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছেন বিজেপি-র দুই বিধায়ক।
এ দিন, ধামাখালির ঘাট থেকে নৌকায় চড়ে সন্দেশখালির ঘাটে নামেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর টোটোয় চড়ে প্রথমে গ্রামে প্রবেশ করেন। তারপর হেঁটে হেঁটে গ্রামের মহিলাদের সঙ্গে কথা বলেন। বিরোধী দলনেতাকে দেখে ঝরে পড়ে পুস্পবৃষ্টি। এক মহিলা এগিয়ে আসেন বিরোধী দলনেতাকে দেখে। অঝোরে কেঁদে ফেলেন। অভিযোগ করেন, “শিবু-উত্তমরা বাইরের থেকে লোক ধরে এনে আমার স্বামীকে এমন মেরেছে যে ও এখন পাগল হয়ে গিয়েছে।” এই কথা শুনে শুভেন্দু তাঁর চিকিৎসা করানোর আশ্বাস দেন। ওই মহিলার চোখের জল মোছান শুভেন্দু। বলেন, “আমার মা কেঁদো না। আমি চিকিৎসার দায়িত্ব নিলাম।” একই সঙ্গে রব ওঠে শাহজাহানের গ্রেফতারির। সেই আশ্বাসও দিলেন বিরোধী দলনেতা।
