AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

West Bengal Assembly Election 2026: ভোট করাতে ময়দানে এবার ১৬ হাজার কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী, শুরু চাপানউতোর

West Bengal Assembly Election: দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে পোলিং পার্সোনালের ঘাটতি দেখা দেওয়াতেই কমিশন এই বিকল্প ব্যবস্থার পথে হেঁটেছে বলে খবর। এই ঘাটতি পূরণ করতে যেসব জেলায় ইতিমধ্যেই ভোট পর্ব মিটে গিয়েছে, সেখান থেকেই মূলত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন বুথে নিয়ে আসা হচ্ছে।

West Bengal Assembly Election 2026: ভোট করাতে ময়দানে এবার ১৬ হাজার কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী, শুরু চাপানউতোর
চলছে চর্চা Image Credit: Gemini
| Edited By: | Updated on: Apr 26, 2026 | 7:12 AM
Share

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন ফের এরবার আরও এক নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী হতে চলেছে। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ভোটকর্মী সঙ্কটের মোকাবিলা করতে নির্বাচন কমিশন প্রায় ১৬,০০০ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীকে প্রিসাইডিং এবং পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করছে। বাংলার নির্বাচনী ইতিহাসে এর আগে বুথ পরিচালনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় স্তরের এত বিপুল সংখ্যক কর্মীর সরাসরি অংশগ্রহণ শেষ কবে দেখা গিয়েছিল তা কেউই মনে করতে পারছেন না। ফলে গোটা ঘটনা নিয়ে প্রশাসনিক মহলেও বিস্তর চর্চা শুরু হয়েছে। 

দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে পোলিং পার্সোনালের ঘাটতি দেখা দেওয়াতেই কমিশন এই বিকল্প ব্যবস্থার পথে হেঁটেছে বলে খবর। এই ঘাটতি পূরণ করতে যেসব জেলায় ইতিমধ্যেই ভোট পর্ব মিটে গিয়েছে, সেখান থেকেই মূলত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন বুথে নিয়ে আসা হচ্ছে। অন্য জেলা থেকে কয়েক হাজার কর্মীকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে দিয়ে ভোট করানোর এই কৌশল প্রশাসনিকভাবেও যে একটা বড় চ্যালেঞ্জের সামিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

সূত্রের খবর, ১৬ হাজার ভোটকর্মীর প্রত্যেকেই কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরের স্থায়ী কর্মচারী। নির্বাচন কমিশন সাধারণত রাজ্য সরকারি কর্মীদের দিয়েই ভোট পরিচালনা করলেও, এবার প্রিসাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে প্রতিটি পোলিং অফিসারের মতো জায়গায় কেন্দ্রীয় কর্মীদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। যা কার্যত নজিরবিহীন বলেই মত রাজনীতির কারবারিদেরও। 

তবে কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে জোর বিতর্কও শুরু হয়েছে। ‘ভোটকর্মী ঐক্যমঞ্চ’-এর দাবি, রাজ্যে এখনও এমন বহু সরকারি কর্মচারী রয়েছেন যাদের কোনও নির্বাচনী দায়িত্বই দেওয়া হয়নি। যোগ্য রাজ্য সরকারি কর্মীদের বসিয়ে রেখে অন্য জেলা থেকে কেন্দ্রীয় কর্মীদের উড়িয়ে আনার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। যা নিয়েও চাপানউতোর চলছে পুরোদমে। 

Follow Us