Jangipara BJP candidate: জাঙ্গিপাড়ার বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ঘিরে জয় বাংলা স্লোগান! তারপর যা হল…
West Bengal assembly election 2026: বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাজ্যের শাসকদল। তৃণমূল নেতা মলয় খাঁ বলেন, "মিথ্যা অভিযোগ। তৃণমূলের একটি মিছিল যাচ্ছিল। সেসময় বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ঢুকে পরে। উনি জয় বাংলা স্লোগান শুনে গাড়ি থেকে নেমে সিন ক্রিয়েট করেন। আমাদের কর্মীরা কোনও খারাপ ব্যবহার করেনি। এর আগেও উনি এই ধরনের কাজ করে প্রচারে আসতে চেয়েছেন। এতে কোনও লাভ হবে না। আমাদের প্রার্থীও বলে দিয়েছেন কোনও প্ররোচনায় পা না দিতে।"

জাঙ্গিপাড়া: ভোটের আগে বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ঘিরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা হুগলির জাঙ্গিপাড়ায়। বিজেপি প্রার্থী প্রসেনজিৎ বাগের অভিযোগ, তাঁকে হেনস্থাও করা হয়। পুলিশের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। যদিও বিজেপি প্রার্থীকে হেনস্থার অভিযোগ খারিজ করল তৃণমূল। গোটা বিষয়টিকে নাটক বলে কটাক্ষ করল।
জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধেয় জাঙ্গিপাড়ার বিজেপি প্রার্থী প্রসেনজিৎ বাগ জাঙ্গিপাড়া থেকে ফুরফুরার দিকে যাচ্ছিলেন। জাঙ্গিপাড়া বোরহোল মোড়ের কাছে তাঁর গাড়ি পৌঁছালে তৃণমূলের একটি মিছিল থেকে গাড়ি ঘিরে জয় বাংলা স্লোগান দেওয়া হয়। বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, তাঁকে হেনস্থা করা হয়। গাড়ি থেকে নামিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। যে সময় এই ঘটনা ঘটে, তখন সেখানে কোনও পুলিশ ছিল না। পরে পুলিশ পৌঁছে বিজেপি প্রার্থীকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।
প্রসেনজিৎ বাগের অভিযোগ, তৃণমূল প্রার্থী স্নেহাশিস চক্রবর্তী পরাজিত হবে বুঝে কর্মীদের দিয়ে এসব করাচ্ছেন। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি প্রার্থী। ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সামনে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, বিজেপি প্রার্থীর গাড়ির সামনে জয় বাংলা স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। বিজেপি প্রার্থীকে গাড়ি থেকে নেমে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়াতেও দেখা যায়। এক পুলিশ অফিসার বিজেপি প্রার্থীকে বুঝিয়ে গাড়িতে তোলেন।
কী বলছে তৃণমূল?
বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাজ্যের শাসকদল। তৃণমূল নেতা মলয় খাঁ বলেন, “মিথ্যা অভিযোগ। তৃণমূলের একটি মিছিল যাচ্ছিল। সেসময় বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ঢুকে পরে। উনি জয় বাংলা স্লোগান শুনে গাড়ি থেকে নেমে সিন ক্রিয়েট করেন। আমাদের কর্মীরা কোনও খারাপ ব্যবহার করেনি। এর আগেও উনি এই ধরনের কাজ করে প্রচারে আসতে চেয়েছেন। এতে কোনও লাভ হবে না। আমাদের প্রার্থীও বলে দিয়েছেন কোনও প্ররোচনায় পা না দিতে।” সবমিলিয়ে ভোটের আগে রাজনীতির পারদ চড়ছে জাঙ্গিপাড়ায়। আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোট রয়েছে এখানে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাতে কমিশন কী পদক্ষেপ করে, সেটাই এখন দেখার।
