Basirhat: বাজার ভরেছে ননস্টিকে, পিঠে-পুলির মরসুমেও ‘মার’ খাচ্ছে মাটির বাসন
Basirhat: শীতের মৌরসুমে বাঙালির জীবনে পিঠেপুলি থাকতেই হবে। তা না হলে শীতই বেমানান। মৃৎশিল্পীরা বানিয়েছেন বাহারি পিঠে বানানোর বাসন। নক্সি পিঠের জন্য মাটির ছাঁচও বানিয়েছেন তাঁরা। মাটির পাত্রে তৈরি পিঠে যে সুস্বাদের হয় বাঙালিরা তা জানেন।

বসিরহাট: শীতকাল। পিঠে-পুলির মরশুম। গ্রাম বাংলায় এই মরসুমে বাড়ে পিঠে পুলির রসদ। রসে ভেজা, ক্ষীরে মেশা হরেক স্বাদের পিঠের আমেজ যেন অন্য মাত্রা দেয়। তবে নানা পদের পিঠেপুলি তৈরিতে ব্যবহার করা হয় কুমোরদের হাতে নিখাদ নিপুনভাবে তৈরি হরেক রকমের মাটির পাত্র। কিন্তু মাটির বাসন আর কে ব্যবহার করেন এখন! চল বেড়েছে প্লাস্টিক,স্টিল, অ্যালুমিনিয়ামের। ফলে আধুনিক বাজারে মাটির বাসনের চাহিদা কমেছে। ফলত, মৃৎশিল্পের কারিগরদের আগের তুলনায় অনেকাংশে কাজের পরিসর কমেছে।
শীতের মৌরসুমে বাঙালির জীবনে পিঠেপুলি থাকতেই হবে। তা না হলে শীতই বেমানান। মৃৎশিল্পীরা বানিয়েছেন বাহারি পিঠে বানানোর বাসন। নক্সি পিঠের জন্য মাটির ছাঁচও বানিয়েছেন তাঁরা। মাটির পাত্রে তৈরি পিঠে যে সুস্বাদের হয় বাঙালিরা জানেন। কিন্তু সে সব বাসনের দর যে কমেছে তা এক কথায় স্বীকার করে নিয়েছেন তাঁরা। তবে এখন মহিলারা বংশ পরম্পরায় লোহার কড়াই,অ্যালুমিনিয়ামের পাতিল বা ফ্রাইপ্যানে পিঠে বানান।
উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের ভেবিয়া, ধোপাবেড়িয়ায় কুমোরবাড়িতে সারি সারি মাটির বাসন শুকচ্ছে। তবে বিক্রি হচ্ছে না বলেই চলে। একটা সময় বিদ্যাধরী নদী দিয়ে নৌকায় মাটির পাত্র ভরে বিভিন্ন স্থানে যেত। কিন্তু এখন সে সব হয় না বলাই যায়। তাও আধুনিকতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কুমোররা চেষ্টা করে যাচ্ছেন কীভাবে সেই বাসনের বিক্রি বাড়ানো যায়।
