CM Suvendu Adhikari: ‘১৩ নভেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করব…’, এরপর কী করবেন জানালেন শুভেন্দু
তিনি আরও বলেন, "আর যাঁরা জিতবে তারা প্রস্তুতি নেয়। আমরা ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমরাই জিতব। ফলতা, রেজিনগর, নন্দীগ্রামে যেমন ওরা হেরে গিয়েছে, তেমনই হেরে যাবে। ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করব। এরপর প্রতিটি ওয়ার্ডে কো-অর্ডিনেটর বসাব।" এই কো-অর্ডিনেটররাই সব দায়িত্ব সামলাবেন বলেই মন্তব্য করেছেন।

কলকাতা: কবে হবে পৌরভোট (Kolkata Municipal Election)? এই নিয়ে জলঘোলা চলছেই। মামলা-মোকদ্দমা হয়ে গিয়েছে। তার মধ্যেই KMC-র নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি জারির ওপরে অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এবার এই নিয়েই বড় কথা বলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। জানিয়ে দিলেন, তিনি আগামী ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত দেখবেন। তারপরই প্রতিটি ওয়ার্ডে কো-অর্ডিনেটর বসিয়ে দেবেন।
এ দিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমরা সুপ্রিম কোর্টে যাবে। ২০৯ ওয়ার্ডে কো-অর্ডিনেটর বসাবো। যাঁরা ভোটে হারবে, তারাই কোর্টে যায়।” তিনি আরও বলেন, “আর যাঁরা জিতবে তারা প্রস্তুতি নেয়। আমরা ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমরাই জিতব। ফলতা, রেজিনগর, নন্দীগ্রামে যেমন ওরা হেরে গিয়েছে, তেমনই হেরে যাবে। ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করব। এরপর প্রতিটি ওয়ার্ডে কো-অর্ডিনেটর বসাব।” এই কো-অর্ডিনেটররাই সব দায়িত্ব সামলাবেন বলেই মন্তব্য করেছেন।
কলকাতা পুরসভার আসন সংখ্যা ১৪৪ থেকে বাড়িয়ে ২০৯টি করার প্রক্রিয়া শুরু করে প্রশাসন। গোড়াতেই প্রক্রিয়াগত ত্রুটি নিয়ে সরব হয়েছিল বাম, কংগ্রেস, কালীঘাট তৃণমূল-সহ দলগুলি। পরে এ নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন কসবার সিপিএম নেত্রী তথা প্রাক্তন কাউন্সিলর দীপু দাস। মামলাটি কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের বেঞ্চে ওঠে। সিঙ্গল বেঞ্চ কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ না দিয়ে উভয়পক্ষের কাছে হলফনামা চেয়েছিল। পরবর্তীতে সিঙ্গল বেঞ্চের সেই অবস্থানকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলাকারীরা কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন। তখনই এই নির্দেশ দেয় ডিভিশন বেঞ্চ।
