AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Donald Trump: দিয়েছিলেন নোটও, তুলসীর কথা সেদিন শুনলে এই দিন দেখতে হত না ট্রাম্প, কী এমন জানিয়েছিলেন এই মহিলা

ইরান ইউরেনিয়াম শোধন করছিল বটে, কিন্তু পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছিল এমন কোনও প্রমাণ নেই। ইজরায়েল সেই প্রমাণ দিতে পারবে না। মার্কিন সেনেটে ইনটেলিজেন্স কমিটি হিয়ারিং-এও তুলসী গাবার্ড একই কথা বলেন। হিয়ারিং-এ তুলসীকে প্রশ্ন করা হয়, ইরানের কাছে ব্যবহার করার মতো কটা পরমাণু অস্ত্র ছিল? ওরা কি এখনও পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে পারে?

Donald Trump: দিয়েছিলেন নোটও, তুলসীর কথা সেদিন শুনলে এই দিন দেখতে হত না ট্রাম্প, কী এমন জানিয়েছিলেন এই মহিলা
ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তুলসী গবার্ডImage Credit: PTI
| Updated on: Nov 06, 2026 | 9:24 PM
Share

হোয়াইট হাউসে বসেই ভোটে হারের খবর পেয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। সেই সময় বিশেষ কারও কথা মনে পড়েছিল কি? হয়ত পড়েছিল। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো মজা করে বলছে, সাদা বাড়িতে বসে তুলসী গাবার্ডের কথাই ভেবেছেন ট্রাম্প। না, প্রেমট্রেমের ব্যাপার নয়। আসলে তুলসীর কথা শুনলে হয়ত তাঁকে বা তাঁর দলকে এই দিনটা দেখতে হত না।

ট্রাম্পকে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছিলেন, ইরানের বিষদাঁত উপড়ে ফেলেছি। ওদের থেকে আর কোনও বিপদ নেই। সেটা চলতি বছরের মার্চের মাঝামাঝি। যুদ্ধটা সবে ২০ দিনে পড়েছে। নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইরান আর ইউরেনিয়াম শোধন করতে পারবে না। নতুন মিসাইল তৈরি করতেও পারবে না।

তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, ইরানের হাতে যে পরমাণু অস্ত্র ছিল, সেগুলোর কী হল? নেতানিয়াহুর জবাব, ইরান বেশ কয়েকবছর পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না, এটা বলতে পারি। সেই সুযোগ ওরা পাবে না। আবার তাঁকে প্রশ্ন করা হল, কিন্তু যে পরমাণু অস্ত্র ইরান তৈরি ফেলেছে বলে অভিযোগ। ইজরায়েল এবং আমেরিকা যে অভিযোগ তুলে যুদ্ধে নামল, সেগুলোর কী হল? নেতানিয়াহুর জবাব, অস্ত্র খুঁজে কী হবে? ওদের যদি ইউরেনিয়াম তৈরির ক্ষমতাই না থাকে, তা হলে অস্ত্র নিয়ে কী হবে? তুলসী তখনই বলেছিলেন, নেতানিয়াহু সত্যি বলছেন না। ইরানের হাতে পরমাণু অস্ত্র ছিলই না। এবং তৈরিরও কোনও প্রমাণ নেই। তুলসী তখন আমেরিকার গোয়েন্দা প্রধান। তিনি ট্রাম্পকে পার্সোনাল নোট দিয়েছিলেন।

ইরান ইউরেনিয়াম শোধন করছিল বটে, কিন্তু পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছিল এমন কোনও প্রমাণ নেই। ইজরায়েল সেই প্রমাণ দিতে পারবে না। মার্কিন সেনেটে ইনটেলিজেন্স কমিটি হিয়ারিং-এও তুলসী গাবার্ড একই কথা বলেন। হিয়ারিং-এ তুলসীকে প্রশ্ন করা হয়, ইরানের কাছে ব্যবহার করার মতো কটা পরমাণু অস্ত্র ছিল? ওরা কি এখনও পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে পারে? তুলসীর উত্তর, গত বছরের মাঝামাঝি আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরান এক কণা ইউরেনিয়ামও এনরিচ করতে পারেনি। তার আগে করেছিল কী? তুলসীর জবাব, হ্যাঁ, করেছিল। সেনেটররা প্রশ্ন করেন, সেই ইউরেনিয়াম দিয়ে কী পরমাণু অস্ত্র তৈরি হয়েছে? সেগুলো ইরান কোথায় রেখেছে? তুলসী উত্তর এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। সেনেটেররা চেপে ধরার পর দাবি করেন, ওরা পরমাণু অস্ত্র তৈরির কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল, সেই প্রমাণ আমাদের হাতে এসেছিল। কিন্তু পরমাণু অস্ত্র তৈরি করেছিল কি না বা করলেও সেগুলো কোথায় রাখা, এটা আমাদের জানার কথা নয়।

তা হলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কীভাবে ইরানের থেকে নিউক্লিয়ার থ্রেটের কথা বললেন? তুলসীর জবাব, এব্যাপারে শুধু আমরাই প্রেসিডেন্টকে তথ্য দিই তা তো নয়। বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রেসিডেন্টের কাছে তথ্য যায়। অকাট্য তথ্য হাতে আছে বলেই উনি ওই মন্তব্য করেছেন। তারপরই কিন্তু তুলসী ট্রাম্পকে পার্সোনাল নোট দিয়েছিলেন। ইরানে পরমাণু অস্ত্র নেই। এনিয়ে ইরানে হামলা চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

Follow Us