AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

TMC Worker’s Body Recover:শরীর থেকে ছিন্ন হাত! ভোটেবঙ্গে TMC নেতা খুনে উঠছে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্ব

TMC Worker's Body Recover: সরাসরি অভিযোগ উঠেছে দেগঙ্গা দু'নম্বর ব্লক তৃণমূলের সভাপতি সুব্রত বসুর বিরুদ্ধে। দেগঙ্গা পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ধনঞ্জয় প্রামাণিকের বক্তব্য, "পাড়ায় সমাধানের ঢালাই রাস্তা নিয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন। তার জেরেই এই ঘটনা ঘটতে পারে। কালকে রাতে কেউ ফোন করে ডাকতে পারে। সেই ফোন পেয়েই বেরিয়ে যায়। তারপর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়।"

TMC Worker's Body Recover:শরীর থেকে ছিন্ন হাত! ভোটেবঙ্গে TMC নেতা খুনে উঠছে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্ব
শোকগ্রস্ত তৃণমূল নেতার পরিবারImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 19, 2026 | 1:13 PM
Share

উত্তর ২৪ পরগনা:  ভোটের বঙ্গে তৃণমূল নেতার দেহ উদ্ধার। হাড়োয়ার তৃণমূল কর্মীর দেহ উদ্ধার মিনাখাঁয়। মৃতের নাম কাজী মসিউর রহমান।  জানা যাচ্ছে, তিনি হাড়োয়া বিধানসভার চাপাতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের গাঙনিয়া ১৭৮ নম্বর বুথের তৃণমূলের বুথ সভাপতি। এই ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্ব খাড়া করেছেন দলেরই একাংশ। সরাসরি অভিযোগ উঠেছে দেগঙ্গা দু’নম্বর ব্লক তৃণমূলের সভাপতি সুব্রত বসু কৃষ্ণের বিরুদ্ধে। দেগঙ্গা পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ধনঞ্জয় প্রামাণিকের বক্তব্য, “পাড়ায় সমাধানের ঢালাই রাস্তা নিয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন। তার জেরেই এই ঘটনা ঘটতে পারে। কালকে রাতে কেউ ফোন করে ডাকতে পারে। সেই ফোন পেয়েই বেরিয়ে যায়। তারপর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়।”

মিনাখাঁ বিধানসভার সোনাপুকুর শঙ্করপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝুঝুরগাছা গ্রাম রাস্তার পাশে সাত সকালে এলাকাবাসীরা দেখতে পান রাস্তার ধারে পড়ে আছে দেহ। শরীরে একাধিক জায়গায় ধারাল অস্ত্রের কোপ। তারপর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাড়োয়া থানার পুলিশ। যুবকের দেহ উদ্ধার করেন তাঁরা। ভোটের আগে তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় রীতিমতো তোলপাড় হয়ে উঠল গোটা এলাকা।

মৃতের স্ত্রী সাবিনা বিবি বলেন, “পার্টি পার্টি করেই আমার স্বামীর অনেক শত্রু তৈরি হয়ে গিয়েছিল। পার্টির মধ্যেই শত্রু ছিল।”  এটা মূলত গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। কিছু দিন আগেই ওর ওপর হামলা হয়েছিল। পাড়ায় সমাধানের রাস্তা হচ্ছিল। তখন কয়েকজন দুষ্কৃতী ওর ওপর হামলা চালায়। ওকে আর ওর ভাইকে প্রচণ্ড মারধর করে। আমরা সে সময় দেগঙ্গা থানায় গিয়েছিলাম। কিন্তু অভিযোগ নেয়নি পুলিশ।” তিনিই জানান, সুব্রত ব্লক সভাপতি হওয়ার পর থেকেই হুমায়ুন বেদে চৌধুরীর অনুগামীদের মধ্যে সমস্যা হয়। কাজী মসিউর রহমানও হুমায়ুন দেবে চৌধুরীর অনুগামী। যদিও এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Follow Us