AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Asansol: ওষুধের দোকানেই ডাক্তারের চেম্বার, দু’মাসের অন্তঃসত্ত্বা, তাঁর সঙ্গেই কিনা…খবর চাউর হতেই জড়ো হল গ্রামের লোক

Asansol Medical Negligence: চাঁদনি মাহাতো দু'মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। অসুস্থ বোধ করায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। চিকিৎসক পরীক্ষা করে নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ প্রেসক্রিপশনে লিখে দেন। অভিযোগ, সেই প্রেসক্রিপশন নিয়ে জেমারি রেলগেট সংলগ্ন এক মেডিকেল স্টোরে যান তাঁর আত্মীয়।

Asansol: ওষুধের দোকানেই ডাক্তারের চেম্বার, দু'মাসের অন্তঃসত্ত্বা, তাঁর সঙ্গেই কিনা...খবর চাউর হতেই জড়ো হল গ্রামের লোক
আসানসোলে ওষুধের দোকানImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 07, 2026 | 2:06 PM
Share

আসানসোল:  ডাক্তার দিয়েছিলেন এক ওষুধ। প্রেসক্রিপশনে গোটা গোটা তা লেখাও ছিল। সেই প্রেসক্রিপশন নিয়ে দোকানে গিয়েছিলেন অন্তঃসত্ত্বার আত্মীয়। কিন্তু তা উপেক্ষা করেই ‘হাই পাওয়ার’ ওষুধ দেওয়ার অভিযোগ দোকানদারের বিরুদ্ধে। আর তাতেই অন্তঃসত্ত্বার গর্ভপাত বলে অভিযোগ। ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য আসানসোলের সালানপুরে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চাঁদনি মাহাতো দু’মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। অসুস্থ বোধ করায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। চিকিৎসক পরীক্ষা করে নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ প্রেসক্রিপশনে লিখে দেন। অভিযোগ, সেই প্রেসক্রিপশন নিয়ে জেমারি রেলগেট সংলগ্ন এক মেডিকেল স্টোরে যান তাঁর আত্মীয়। দোকানদার চিকিৎসকের নির্দেশ অগ্রাহ্য করে ডবল ডোজের অর্থাৎ ‘হাই পাওয়ার’ ওষুধ ধরিয়ে দেন বলে অভিযোগ।

পরিবারের দাবি, ওই ওষুধ খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই চাঁদনি মাহাতোর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। দ্রুত তাঁকে আবার চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হলে ওষুধ দেখে চিকিৎসক নিজেই বিস্মিত হয়ে যান। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে চাঁদনি মাহাতোকে হাসপাতলে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা জানান, তাঁর গর্ভপাত হয়ে গিয়েছে।

এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযুক্ত মেডিক্যাল স্টোর ঘেরাও করে দোকান বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হয়। যদিও অভিযুক্ত দোকানদার সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, চিকিৎসকের সঙ্গেই কথা বলেই তিনি ওই ওষুধ দিয়েছিলেন। ঘটনার খবর পেয়ে সালানপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

রোগীর এক আত্মীয় বলেন, “দু’মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। ডাক্তার ১০০ পাওয়ারের ওষুধ লিখে দিয়েছিল। দোকানদার ২০০ পাওয়ারের ওষুধ দিয়েছে। দোকানদার আগেই বলে দিতে পারত, ওনার কাছে নেই।”

দোকান মালিক স্বীকার করে বলেন, “ডাক্তার ১০০ পাওয়ারের ওষুধ দিয়েছিল। সেটা দু’বার করে খাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আমার কাছে ২০০ পাওয়ারের ওষুধ ছিল। আমি ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করি, ডাক্তার বলেন, ২০০ এমজি দিয়ে দিতে, একবার করে খাবে।”