AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Asansol: ‘আমি তো বেঁচে আছি বাবা’, তৃণমূল প্রার্থীর হাত ধরে আর্তি ‘ডিলিটেড’ বৃদ্ধার

West Bengal assembly election 2026: রূপনারায়ণপুরের সীমান্তপল্লির বাসিন্দা দুর্গা রায়। এখানে কয়েক দশক ধরে থাকেন। এসআইআর প্রক্রিয়াতেই তাঁর নামের পাশে 'ডিলিটেড' দেখাচ্ছে। এদিন সকালে ওই এলাকায় প্রচারে আসেন বিদায়ী বিধায়ক তথা তৃণমূল প্রার্থী বিধান উপাধ্যায়। তাঁকে দেখেই নিজের নাম কেটে যাওয়ার কথা জানালেন বৃদ্ধা।

Asansol: 'আমি তো বেঁচে আছি বাবা', তৃণমূল প্রার্থীর হাত ধরে আর্তি 'ডিলিটেড' বৃদ্ধার
তৃণমূল প্রার্থ বিবেক উপাধ্যায়ের হাত ধরে আর্তি বৃদ্ধারImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Apr 01, 2026 | 12:33 PM
Share

আসানসোল: বয়স ৯০ ছুঁইছুঁই। কয়েক বছর আগে পুত্রের মৃত্যু হয়েছে। বিয়ে হয়ে গিয়েছে দুই মেয়ের। বাড়িতে একাই থাকেন বৃদ্ধা। বুধবার সকালে তৃণমূল প্রার্থী প্রচারে এসেছেন জানতে পেরেই এগিয়ে এলেন। তৃণমূল প্রার্থীর হাত দুটো ধরে বৃদ্ধার কাতর আর্জি, “আমি তো বেঁচে আছি বাবা। নাম কেটে দিয়েছে।” এদিন সকালে এই দৃশ্যই দেখা গেল পশ্চিম বর্ধমানের বারাবনির রূপনারায়ণপুরে। বৃদ্ধাকে আশ্বস্ত করলেন তৃণমূল প্রার্থী বিধান উপাধ্যায়।

রূপনারায়ণপুরের সীমান্তপল্লির বাসিন্দা দুর্গা রায়। এখানে কয়েক দশক ধরে থাকেন। এসআইআর প্রক্রিয়াতেই তাঁর নামের পাশে ‘ডিলিটেড’ দেখাচ্ছে। এদিন সকালে ওই এলাকায় প্রচারে আসেন বিদায়ী বিধায়ক তথা তৃণমূল প্রার্থী বিধান উপাধ্যায়। তাঁকে দেখে বৃদ্ধার জমানো ব্যথা আর ক্ষোভ বাঁধ মানল না। তৃণমূল প্রার্থীকে বাড়ির সামনে পেয়েই জড়িয়ে ধরেন বৃদ্ধা। তাঁর করুণ প্রশ্ন,  “আমি তো মরে যাইনি। তবে কেন নাম কাটা গেল? আমি ভোট দেব কী করে?” ​ ​প্রচার থামিয়ে বৃদ্ধার সঙ্গে কথা বলেন বিধান উপাধ্যায়। তিনি তৎক্ষণাৎ দলীয় নেতৃত্বকে নির্দেশ দেন। বৃদ্ধার নাম যাতে এসআইআর তালিকায় তোলা যায়, তার জন্য দ্রুত পদক্ষেপের কথা বলেন। ​মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে তিনি আশ্বস্ত করেন যে, তৃণমূল সরকার সাধারণ মানুষের পাশেই আছে। বৃদ্ধাকে আশ্বস্ত করার পর কমিশন ও বিজেপিকে তোপ দাগেন তৃণমূল প্রার্থী। বলেন, “উনি ভয় পেয়েছেন। ভাবছেন, এবার যদি কোথাও পাঠিয়ে দেয়। আমরা তাঁকে আশ্বস্ত করেছি।”

এদিকে, বিদায়ী বিধায়কের সঙ্গে কথা বলার পর দুর্গা রায় বলেন, “এখানে ৪০ বছর রয়েছি। ছেলে ৭-৮ বছর আগে হঠাৎ মারা গিয়েছে। কোথায় কাগজ রয়েছে খুঁজতে পারছি না। না হলে আমায় এখন কিছু দাও, খেয়ে উপরে চলে যাই। আমার নামে এক্সচেঞ্জের কার্ড ছিল, সেটাই দিয়েছি। বাড়ির কাগজপত্র, দলিল সব ছেলের নামে ছিল। আমার নামে কিছু নেই। আমি তো জানতাম না, ছেলে হঠাৎ করে মারা যাবে।”

Follow Us