Nitin Nabin: দুর্গা মায়ের পুজো রোখার চেষ্টা করে সরকার, আজান পড়ার সময় কোনও সমস্যা হয় না: নিতিন
Durgapur: নিতিন নবীন বলেন, "শক্তির আরাধনা দুর্গাপুজো থেকে হয়। সেটা এই বাংলা থেকে পুরো দেশে পৌঁছয়। কিন্তু মায়ের পুজোও রোখার চেষ্টা করে এই সরকার। আমি বলতে পারি, আজান পড়ার সময় কোনও সমস্যা হয় না। তবে দুর্গার আরাধনার সময় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়। এটা কোনও হিন্দু বরদাস্ত করবে না। আমরা পরম্পরা রক্ষায় যে কোনও কুরবানি দেব। এখানে ভৌগলিক অবস্থান বদলের চেষ্টা চলছে।"

দুর্গাপুর: হিন্দুদের অস্তিত্ব বিপন্ন। হিন্দু ধর্মকে রক্ষা করতে হবে। দুর্গাপুরের সভা থেকে এমনই অভিযোগ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। তাঁর অভিযোগ, বাংলায় দুর্গাপুজো করার ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া হয়। অথচ নামাজ পড়ার সময় কোনও বাধা দেওয়া হয় না। বাংলায় ধর্মীয় বিভাজনের অভিযোগ তুলে এভাবেই সরব হলেন নিতিন।
নিতিন নবীন বলেন, “শক্তির আরাধনা দুর্গাপুজো থেকে হয়। সেটা এই বাংলা থেকে পুরো দেশে পৌঁছয়। কিন্তু মায়ের পুজোও রোখার চেষ্টা করে এই সরকার। আমি বলতে পারি, আজান পড়ার সময় কোনও সমস্যা হয় না। তবে দুর্গার আরাধনার সময় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়। এটা কোনও হিন্দু বরদাস্ত করবে না। আমরা পরম্পরা রক্ষায় যে কোনও কুরবানি দেব। এখানে ভৌগলিক অবস্থান বদলের চেষ্টা চলছে।”
এখানেই শেষ নয়, এ দিন তামিলনাড়ুর উদাহরণ টেনে এনে বলেন, “দীপমে পুজো করার জন্য প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে আজানের জন্য। ওইখানকার সরকার ইন্ডি জোটে রয়েছে। এরা এই পুজো রোধ করার জন্য কোর্ট পর্যন্ত চলে গিয়েছে। আদালত বলল পুজো হবে, তখন বিচারপতিকে সরাতে ইমপিচমেন্টের জন্য কংগ্রেসের আর তৃণমূলের নেতারা একজোট হয়ে গেল। সনাতনীদের বাঁচাতে হবে। বাংলার পাশাপাশি আমরা ভারতের সংস্কৃতিকে বাঁচানোর লড়াই লড়ছি।”
এখানে উল্লেখ্য, বাংলার দুর্গাপুজোর নাম জগৎজোড়া। ২০২১ সালের ১৫ ডিসেম্বর সেই নামের সঙ্গে যুক্ত হয় আরও একটি পালক। কলকাতার দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর (UNESCO) ‘ইন্ট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অফ হিউম্যানিটি’ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। মহালয়ার পর থেকেই দুর্গাপুজো শুরু হয়। তারপর বিজয়া দশমি শেষে মহাসমারহে কার্নিভাল হয়ে এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটে।
