AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Road Accident: ট্যাঙ্কারের পিছনে আটকে গেল চারচাকা, এয়ারপোর্টে যাওয়ার পথে ছেলের সঙ্গেই প্রাণ গেল মা-বাবার

Road Accident in Burdwan: প্রত্যক্ষদর্শী সেখ সবুর আলি, সেখ মফিজুল হকেরা বলছেন, একটি চারচাকা গাড়ি কলকাতার দিকে যাচ্ছিল তাতেই ছিলেন এই তিনজন। সামনেই যাচ্ছিল আরও একটি গ্যাসের ট্যাঙ্কার। চারচাকাটির গতি অত্যন্ত বেশি ছিল। তখনই ঘটে এই ঘটনা।

Road Accident: ট্যাঙ্কারের পিছনে আটকে গেল চারচাকা, এয়ারপোর্টে যাওয়ার পথে ছেলের সঙ্গেই প্রাণ গেল মা-বাবার
শোকের ছায়া পরিবারে Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 01, 2026 | 8:00 PM
Share

বর্ধমান: জাতীয় সড়কে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনার কবলে গোটা পরিবার। প্রাণ গেল মা, বাবা, ছেলের। মারাত্মকভাবে জখম গাড়ির চালক। বৃহস্পতিবার বিকেলে দুর্ঘটনাটি ঘটে পূর্ব বর্ধমানের ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের বামচাঁদাইপুরে। স্থানীয় বাসিন্দারই সকলকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। ছেলে শেখ সাহানাওয়াজ(২৭), বাবা সেখ মহম্মদ মুর্শেদ(৫৫) ও মা  রেজিনা খাতুনকে (৫১) মৃত বলে ঘোষণা করে দেন চিকিৎসকরা। 

প্রত্যক্ষদর্শী সেখ সবুর আলি, সেখ মফিজুল হকেরা বলছেন, চারচাকা গাড়িটি কলকাতার দিকে যাচ্ছিল। ওই গাড়িতেই ছিলেন একই পরিবারের তিনজন। সামনেই যাচ্ছিল আরও একটি গ্যাসের ট্যাঙ্কার। কিন্তু চারচাকাটির গতি অত্যন্ত বেশি ছিল। সেটিই আচমকা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্যাঙ্কারের পিছনে ধাক্কা মারে। ধাক্কার তীব্রতায় গাড়িটি ওই গ্যাস ট্যাঙ্কারের পিছনে আটকেও যায়। ওই অবস্থাতেই বেশ কিছুটা এগিয়ে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারাই ট্যাঙ্কারটিকে আটকে চারচাকায় থাকা লোকজনকে উদ্ধার করে। তারপরই নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। 

মৃতদের বাড়ি দুর্গাপুর সিটি সেন্টারে। দুর্গাপুর থেকে দমদম এয়ারপোর্ট যাওয়ার পথেই শক্তিগড় থানার বামচাঁদাইপুরের কাছে ঘটে এই ঘটনা। জখম হয়েছেন চারচাকার চালক সাহেব মুন্সিও। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সূত্রের খবর, সাহানাওয়াজ মুম্বইয়ে একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মরত ছিলেন। সেখানেই ফিরছিবেন। তাঁকে এয়ারপোর্টে ছাড়তে যাচ্ছিলেন মা-বাবা। পথে ঘটে যায় এই ভয়াবহ ঘটনা। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমেছে পুলিশ। খবর পেয়ে বামচাঁদাইপুরে আসে পুলিশ। তদন্তকারীরা পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখছেন। কথা বলা হচ্ছে প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গেও।