AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Private Tuition Rules: ‘সামনে পরীক্ষা, আমরা কোথায় যাব!’, স্কুল টিচারদের কাছেই পড়তে চেয়ে এবার MLA-র দ্বারস্থ পড়ুয়ারা

Private Tuition Rules in Bengal: এলাকারই এক ছাত্রী অঙ্কিতা চৌধুরী বলে, “যাঁর কাছে শিখতে পারব এমন প্রাইভেট টিউটর এখানে নেই। ১০ কিলোমিটার দূর থেকে এখানে পড়তে আসি শুধু শেখার জন্য। এখন এটা বন্ধ হয়ে গেলে আমাদের হয়তো অন্য পথ খুঁজতে হবে।”

Private Tuition Rules: ‘সামনে পরীক্ষা, আমরা কোথায় যাব!’, স্কুল টিচারদের কাছেই পড়তে চেয়ে এবার MLA-র দ্বারস্থ পড়ুয়ারা
কী বলছেন বিধায়ক? Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jun 12, 2026 | 1:56 PM
Share

চন্দ্রকোনা: সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষকরা কোনওভাবেই করতে পারবেন না প্রাইভেট টিউশন। নিয়ম থাকলেও তাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এতদিন বাড়িতে পড়িয়েই চলেছিলেন বহু শিক্ষক। এমনকী অভিভাবকদের একটা বড় অংশও চাইতেন ছেলেমেয়েরা স্কুলের শিক্ষকদের কাছেই আলাদা পড়ুক। কিন্তু রাজ্যে পালাবদলের পর পুরনো নিয়মই এবার কঠোর হাতে পালন করতে চাইছে সরকার। জারি হয়েছে নির্দেশে। চলছে নজরদারি। তা নিয়ে শিক্ষামহলের অন্দরে যেমন চাপানইতোর তৈরি হয়েছে তেমনই আবার রাজ্যের নানা প্রান্তে পথে নামতে দেখা গেল অনেক পড়ুয়া থেকে অভিভাবকদেরও। এবার বিধায়কের কাছে জমা পড়ল আবেদনপত্র। 

সামনেই দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা, তাই স্কুল শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন করতে দিতে হবে। এই মর্মেই এবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক সুকান্ত দোলইয়ের কাছে ডেপুটেশন দিল এক ঝাঁক পড়ুয়া। ঘটনাকে কেন্দ্র করে জোর চর্চা চলল জেলার শিক্ষা মহলে। শিক্ষার্থীদের দাবি শুনেছেন বিধায়ক। একইসঙ্গে তিনি দ্রুত বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও জানাবেন বলে জানিয়েছেন। 

এলাকার এক ছাত্র একরাশ হতাশার সঙ্গে বলে, “এখন আমরা একদম কূল হারিয়ে ফেলেছি। আমাদের দুমাস পরেই সেমিস্টার। তাই অন্তত এই শিক্ষাবর্ষে অন্তত যেন আমাদের প্রাইভেট টিউটরদের পড়াতে দেওয়া হয়। এটাই আমার সরকারের কাছে অনুরোধ।” কিন্তু কেন স্কুল শিক্ষকদেরই এত পছন্দ? ছাত্রের দাবি গুণমান ঠিক রেখে পড়াশোনা করতেই তাঁরা স্কুল শিক্ষকদের কাছে যাচ্ছে। তাঁর কথায়, “আমাদের এই অঞ্চলে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে সায়েন্স বিভাগে স্কুলের শিক্ষক ছাড়া আমাদের কাছে কোনও উপায়ই নেই। উচ্চমানের শিক্ষা পেতেই আমরা তাঁদের কাছে যাই। এছাড়াও প্রবেশিকা পরীক্ষাগুলির পড়াশোনার জন্যও আমরা ওনাদের কাছে যাই।”  

আর এক ছাত্রী অঙ্কিতা চৌধুরী বলে, “যাঁর কাছে শিখতে পারব এমন প্রাইভেট টিউটর এখানে নেই। ১০ কিলোমিটার দূর থেকে এখানে পড়তে আসি শুধু শেখার জন্য। এখন এটা বন্ধ হয়ে গেলে আমাদের হয়তো অন্য পথ খুঁজতে হবে। তাই আমরা চাইছি মাঝপথে এবার যেন এটা বন্ধ করা না হয়।”

Follow Us