Suvendu Adhikari: সেই চন্দ্রকোনা! থানায় গিয়ে পারল তৃণমূল, কিন্তু শুভেন্দু নয়
FIR Against Suvendu Adhikari: এই ঘটনায় শুভেন্দুরও নাম জুড়ে দিয়েছেন তিনি। পঞ্চায়েত প্রধানের দাবি, 'এদিন শুভেন্দু অধিকারী, তাঁর কনভয়-সহ আমাদের দলের সভার সামনে উপস্থিত হন। মুখ্য়মন্ত্রীর নামে অশালীন মন্তব্য করেন। তাঁর নির্দেশেই বিজেপির নেতা-কর্মীরা আমাদের প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করেন।'

চন্দ্রকোনা: টানা পাঁচ ঘণ্টা! চন্দ্রকোনার রোড পুলিশ বিট হাউসে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু তারপরেও নিজের করা FIR-এ খুনের ধারা জুড়তে পারেননি শুভেন্দু। শুধুই মৌখিক ভাবে দাবি করে গিয়েছেন, তাঁর উপর ‘প্রাণঘাতী’ হামলা হয়েছিল। উল্টোদিকে তৃণমূলের তরফে যখন থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হল, তাতে খুব সহজেই জুড়ে গেল খুনের চেষ্টার ধারা।
কী ঘটেছে?
শনিবার শুভেন্দু অধিকারী-সহ মোট ১০ জন বিজেপি নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে গড়বেতা থানায় গিয়ে খুনের চেষ্টার মামলা রুজু করেছেন সাতবাঁকুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধান মণিকাঞ্চন রায়। তাঁর অভিযোগ, ওই দিন সন্ধ্যায় সাড়ে ৭টার দিকে তৃণমূলের কর্মসূচি চলাকালীন চন্দ্রকোনার স্থানীয় বিজেপি নেতা-কর্মীরা তাঁদের উপর চড়াও হয়। লাঠিসোঁটা নিয়ে আক্রমণ করে। এরপরই থানায় দ্বারস্থ হন তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান মণিকাঞ্চন রায়।
এই ঘটনায় শুভেন্দুরও নাম জুড়ে দিয়েছেন তিনি। পঞ্চায়েত প্রধানের দাবি, ‘এদিন শুভেন্দু অধিকারী, তাঁর কনভয়-সহ আমাদের দলের সভার সামনে উপস্থিত হন। মুখ্য়মন্ত্রীর নামে অশালীন মন্তব্য করেন। তাঁর নির্দেশেই বিজেপির নেতা-কর্মীরা আমাদের প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করেন।’
ইতিমধ্য়েই শুভেন্দু-সহ মোট ১০ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে FIR রুজু করা হয়েছে। তাতে জুড়ে দেওয়া হয় ১০৯-এর ধারাও অর্থাৎ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী, খুনের চেষ্টা ধারা। এই ঘটনার কয়েক মিনিটের ব্যবধানে চন্দ্রকোনা রোডের উপরেই বিক্ষোভের মুখে পড়েন শুভেন্দু অধিকার। তৃণমূলকে দুষে তাঁকে হত্যার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। সেই মর্মে শনিবার রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে ওই গড়বেতা থানাতেই মোট ন’জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন শুভেন্দু। এমনকি, থানায় বসে খুনের চেষ্টার ধারা জুড়ে দেওয়ার দাবিও তোলেন তিনি। কিন্তু শুভেন্দুর ক্ষেত্রে সেই দাবি মান্যতা পায়নি।
