Agitation in Paschim Medinipur: পেটে যন্ত্রণা নিয়ে রাতে ভর্তি, সকালেই মৃত্যু! নার্সিংহোমের সামনে তরুণীর দেহ রেখে তুমুল বিক্ষোভ
Paschim Medinipur: নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে মৃতার শ্বশুর বলছেন, “ওরা যদি বলতো অবস্থা ভাল নয়। তাহলে তো অন্য জায়গায় নিয়ে যেতাম। কিন্তু রাতে এখানেই ছিল। সকালে বলছে হার্ট অ্যাটাকে মারা গিয়েছি। কিন্তু ডাক্তার তো ছিল, কী করে হল? আমরা ডাক্তারদের শাস্তি চাই।”

বেলদা: চিকিৎসায় গাফিলতিতে রোগী মৃত্যুর অভিযোগে ব্য়াপক চাঞ্চল্য বেলদায়। নার্সিংহোমের সামনে মৃতদেহ রেখে বিক্ষোভ পরিজনদের। ঘটনার জেরে তপ্ত হয়ে ওঠে বেলদার বাখরাবাদ এলাকা। শনিবার সন্ধঘ্যায় পেটে ব্যথা নিয়ে বেলদার ওই নার্সিংহোনে ভর্তি হন স্কুল মোড় এলাকার বাসিন্দা সঙ্গীতা বিশ্বাস নামে এক মহিলা। রাতে ওই গৃহবধূর যন্ত্রণা আরও বাড়লে পরিবারের সদস্যরা জানাচ্ছেন ভর্তির পরেই বেশ কিছু পরীক্ষার কথা বলেন চিকিৎসকেরা। রবিবার সকালে ইউএসজি করাতে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করে দেন। কিন্তু এক রাতের মধ্যে কী করে এ ঘটনা ঘটল তা বুঝে উঠতে পারেন না পরিবারের সদস্যরা।
নার্সিংহোমেই চিকিৎসক থেকে স্বাস্থ্য কর্মীদের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায় পরিবারের সদস্যদের। কিছু সময়ের মধ্যে মৃতদেহ নিয়ে নার্সিংহোমের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন পরিজনরা। খবর যায় পুলিশের কাছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বেলদা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। কিছু সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃতার পরিবারের তরফে কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি।
মৃতার শ্বশুর বলছেন, “কাল রাত আটটা নাগাদ বৌমা রুটি করতে গিয়েছিল। তখনই বলে পেটে ব্যথা। শাশুড়িকে রুটি করতে বলে ও শুয়ে পড়ে। সাড়ে আটটা নাগাদ দেখি ও বমি করছে। আমি দেখা মাত্রই ওকে জল দিই। তারপর আবার শুয়ে পড়ে। একটা গ্য়াসের বড়িও দিই। কিন্তু শরীর খারাপটা আরও বাড়তেই রাত দশটা নাগাদ এই নার্সিংহোমে নিয়ে আসি। ভর্তি করা হয়। ডাক্তার যদিও বলে ভাল আছে, চিন্তা করার দরকার নেই।” এরপরই চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “ওরা যদি বলতো অবস্থা ভাল নয়। তাহলে তো অন্য জায়গায় নিয়ে যেতাম। কিন্তু রাতে এখানেই ছিল। সকালে বলছে হার্ট অ্যাটাকে মারা গিয়েছি। কিন্তু ডাক্তার তো ছিল, কী করে হল? আমরা ডাক্তারদের শাস্তি চাই।”
