Trinamool Congress: পূর্ব বর্ধমানে শক্তি বাড়ল তৃণমূলের, ৬৭ ভোটে এগিয়ে থেকেও বুথ সভাপতির নেতৃত্বে বিজেপি ছাড়ল ১০০ পরিবার

TMC-BJP: ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শেখ আব্দুল লালন নবাগতদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক কাজেই দিনের শেষে ভরসা রাখেন সাধারণ মানুষ। তৃণমূল সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পের উপর আস্থা রেখেই সাধারণ মানুষ ফের তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে ঝুঁকছেন।

Trinamool Congress: পূর্ব বর্ধমানে শক্তি বাড়ল তৃণমূলের, ৬৭ ভোটে এগিয়ে থেকেও বুথ সভাপতির নেতৃত্বে বিজেপি ছাড়ল ১০০ পরিবার
রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর Image Credit source: TV 9 Bangla

| Edited By: জয়দীপ দাস

Jan 26, 2026 | 9:12 PM

আউশগ্রাম: ভোটের আগেই পূর্ব বর্ধমানে বিজেপিতে জোর ধাক্কা দিল তৃণমূল। প্রজাতন্ত্র দিবসেই বিজেপির বুথ সভাপতি-সহ তৃণমূলে যোগ দিল ১০০ পরিবার। ঘটনা পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের ভালকি অঞ্চলে। রাতারাতি বড়সড় রাজনৈতিক রদবদল নিয়েই এখন জোর চর্চা জেলার রাজনৈতিক মহলে। আউশগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত ১৬৭ নম্বর বুথেই বিজেপির মধ্যে এই ভাঙন। 

এদিন বিজেপি থেকে তৃণমূলে আসা কর্মীদের হাতে তৃণমূলের দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে তাঁদের দলে স্বাগত জানান পূর্ব বর্ধমান জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি আবজল রহমান ওরফে সঞ্জু। ছিলেন আউশগ্রাম ২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শেখ আব্দুল লালন। তৃণমূল সাফ কথা, ভোটের মুখে এই রদবদল তৃণমূল স্তরে তাঁদের কর্মীদের মনোবল অনেকটাই বাড়াতে সাহায্য করবে। 

গত লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে এই বুথে তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে থাকলেও ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে পরিস্থিতি কিছুটা বদলে গিয়েছিল। এগিয়ে যায় বিজেপি। লিড পেয়েছিল ৬৭ ভোটে। এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে লোকসভা ভোটে লিড পাওয়া বুথের খোদ সভাপতির সপরিবারে দলত্যাগ বিজেপির জন্য জোর ধাক্কা বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। 

ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শেখ আব্দুল লালন নবাগতদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক কাজেই দিনের শেষে ভরসা রাখেন সাধারণ মানুষ। তৃণমূল সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পের উপর আস্থা রেখেই সাধারণ মানুষ ফের তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে ঝুঁকছেন। তাঁর দাবি, মানুষ এখন বিজেপির বিভাজনের রাজনীতি ছাড়তে চাইছেন। তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে এই দলত্যাগের ঘটনাগুলিতে। 

অন্যদিকে, তৃণমূলে যোগদানকারী প্রাক্তন বিজেপির বুথ সভাপতি বাবু মাঝি এবং রামপ্রসাদ মাঝিরা দলবদলের কারণ হিসেবে এলাকার সামগ্রিক উন্নতির কথাই বাবার বলছেন। তাঁর সাফ কথা,মানুষের স্বার্থে কাজ করতে হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মযজ্ঞে সামিল হওয়া প্রয়োজন। তাই উন্নয়নের শরিক হতেই তাঁরা গেরুয়া শিবির ছেড়ে তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন।