Trinamool Congress: প্রার্থী ঘোষণা হতেই খণ্ডঘোষে বিদ্রোহ, ব্লক সভাপতির সঙ্গেই গণ-ইস্তফার পথে একঝাঁক নেতা
TMC: তীব্র ক্ষোভের সঙ্গে অপার্থিব ইসলাম বলছেন, দলের একনিষ্ঠ কর্মীদের অবজ্ঞা করে যারা অতীতে দলের সঙ্গে 'গদ্দারি' করেছে বর্তমানে তাঁরাই বেশি সুযোগ পাচ্ছেন। এই ক্ষোভ থেকেই তাঁদের সাফ কথা, তাঁরা দলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করছেন। আপাতত নির্বাচনের কোনও কর্মসূচিতেও অংশগ্রহণ করবেন না।

খণ্ডঘোষ: জোর সংগঠনেই, জোর দক্ষ সংগঠকেই। বাদ পড়েছেন একের পর এক বিধায়ক। তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু পুরোদমে। অন্যদিকে দলের টিকিট না পেয়ে এবার ক্ষোভেও ফেটে পড়ছেন অনেকে। খণ্ডঘোষে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে নবীন বাগের নাম ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দলের অন্দরে চরম অসন্তোষ, বিদ্রোহের সুর দানা বেঁধেছে। প্রার্থী তালিকায় নবীন বাগের নাম আসতেই দলের ব্লক সভাপতি থেকে শুরু করে জেলা পরিষদের প্রভাবশালী নেতা, একাধিক অঞ্চলের সভাপতিরা একযোগে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
খণ্ডঘোষ ব্লক তৃণমূল সভাপতি অপার্থিব ইসলামের নেতৃত্বে একঝাঁক নেতা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা নবীন বাগকে কোনওভাবেই প্রার্থী হিসেবে মেনে নেবেন না। এই প্রতিবাদের সামিল পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায় সহ গোপালবেরা, কৈয়ড়, বেরুগ্রাম, সগরাই, শাঁকারি-১ এবং উখরিদ অঞ্চলের তৃণমূল অঞ্চল সভাপতিরা। স্বভাবতই এ ঘটনা নিয়ে জেলার রাজনৈতিক মহলে তীব্র শোরগোল শুরু হয়ে গিয়েছে।
তীব্র ক্ষোভের সঙ্গে অপার্থিব ইসলাম বলছেন, দলের একনিষ্ঠ কর্মীদের অবজ্ঞা করে যারা অতীতে দলের সঙ্গে ‘গদ্দারি’ করেছে বর্তমানে তাঁরাই বেশি সুযোগ পাচ্ছেন। এই ক্ষোভ থেকেই তাঁদের সাফ কথা, তাঁরা দলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করছেন। আপাতত নির্বাচনের কোনও কর্মসূচিতেও অংশগ্রহণ করবেন না। জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায়ও একই সুরে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তিনি জানাচ্ছেন, রাত পোহালেই নিয়ম মেনে জেলা পরিষদের পদ থেকে ইস্তফা দেবেন। ভোটের মুখে খণ্ডঘোষের মতো গুরুত্বপূর্ণ আসনে দলের এই অভ্যন্তরীণ কোন্দল, গণ-ইস্তফার সিদ্ধান্ত ঘাসফুল শিবিরের জন্য বড়সড় অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়াল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন দেখার, শীর্ষ নেতৃত্ব এই ক্ষোভ সামাল দিতে কোনো বিকল্প পথে হাঁটে কি না।
