Chemical pollution suspected: রুই, কাতলা, মৃগেল- নদীতে ভেসে উঠতে থাকে একের পর এক! আর তা ধরতে হুড়োহুড়ি! প্রাণনাশকও হতে পারে, সতর্ক করলেন বিজ্ঞানীরা
Kunur River Fish Deaths: আট থেকে আশি বছর বয়সের বিভিন্ন মানুষকে রুই, কাতলা, মৃগেল সহ নানা ছোট-বড় মাছ সংগ্রহ করতে দেখা যায়। অভিযোগ, এই মৃত বা আংশিক বিষাক্ত মাছ অনেকেই নিজেদের খাওয়ার জন্য সংগ্রহ করছেন, আবার কেউ কেউ বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুত করছেন।

বর্ধমান: কুনুর নদীর জলে রাসায়নিক দূষণের জেরে টন টন মাছ মরে ভেসে ওঠে। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য বর্ধমানে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, কোনও শিল্পাঞ্চল থেকে ক্ষতিকর রাসায়নিক বর্জ্য নদীর জলে মিশে যাওয়ায় এই মারাত্মক বিপর্যয় ঘটেছে। যদিও দূষণের আসল কারণ এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত নয়।
নদীর এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেই এক অত্যন্ত উদ্বেগজনক ছবি সামনে এসেছে। নদীতে মাছ মরে ভেসে ওঠার খবর ছড়িয়ে পড়তেই আশপাশের গ্রামের বহু মানুষ জাল, বালতি ও ঘুণি নিয়ে নদী থেকে মাছ ধরতে নেমে পড়েন। আট থেকে আশি বছর বয়সের বিভিন্ন মানুষকে রুই, কাতলা, মৃগেল সহ নানা ছোট-বড় মাছ সংগ্রহ করতে দেখা যায়। অভিযোগ, এই মৃত বা আংশিক বিষাক্ত মাছ অনেকেই নিজেদের খাওয়ার জন্য সংগ্রহ করছেন, আবার কেউ কেউ বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুত করছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রাসায়নিক দূষণে আক্রান্ত জলে থাকা ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ মাছের শরীরে জমা হয়। এই মাছ খাওয়া মানবদেহে মারাত্মক বিষক্রিয়া সহ গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই জল ও মাছের নমুনা পরীক্ষা করে নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই মাছ খাওয়া বা বিক্রি করা থেকে কঠোরভাবে বিরত থাকা প্রয়োজন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কুনুর নদীতে প্রায়ই এমন মাছ ভেসে ওঠার ঘটনা ঘটলেও বারবার জানিয়েও স্থায়ী প্রতিকার মেলেনি। নদীর ওপর জীবিকা নির্বাহকারী তীরবর্তী মানুষের জীবন-জীবিকা আজ চরম অনিশ্চয়তার মুখে। জলজ বাস্তুতন্ত্রের এই ভয়াবহ ক্ষতির নেপথ্যের উৎস চিহ্নিত করে অবিলম্বে কড়া পদক্ষেপ করার দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
