শুভেন্দুর দফতর থেকে এল বার্তা, এক লহমায় বর্ধমানের ছোট্ট ন্যাপথলিনের কারখানার মালিক এসে দেখলেন…
East Burdwan factory: স্থানীয় বিজেপি নেতা খোকন বৈরাগ্যের কাছে মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে একটি ফোন আসে। তাতে বলা হয়, একটি কারখানা গ্রামের লোকের চাপে বন্ধ। এই অভিযোগ পেয়ে খোকন বৈরাগ্য গ্রামের মানুষজনকে সঙ্গে নিয়ে কারখানাটি খুলতে যান। খবর পেয়ে যান কারখানার মালিক সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।

পূর্ব বর্ধমান: রাজ্যে পালাবদলের পর শিল্পে জোয়ার! রাজ্যের একাধিক বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানা খুলছে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে হঠাৎ করেই বন্ধ কারখানা। কিন্তু কেন? খবর পৌঁছয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে বার্তা পেতেই কারখানা খুলতে গেলেন স্থানীয় বিজেপি নেতারা। আর কারখানার গেট খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ। কারখানার ভিতর থেকে উদ্ধার আপত্তিকর জিনিস। পূর্ব বর্ধমানের দেওয়ানদিঘি টুবগ্রামের ঘটনা। কারখানার ভিতরে মধুচক্র চালানোর অভিযোগ। যদিও মালিকের দাবি, এটি ন্যাপথলিন তৈরির কারখানা।
জানা গিয়েছে, স্থানীয় বিজেপি নেতা খোকন বৈরাগ্যের কাছে মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে একটি ফোন আসে। তাতে বলা হয়, একটি কারখানা গ্রামের লোকের চাপে বন্ধ। এই অভিযোগ পেয়ে খোকন বৈরাগ্য গ্রামের মানুষজনকে সঙ্গে নিয়ে কারখানাটি খুলতে যান। খবর পেয়ে যান কারখানার মালিক সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি নেতা জানান, তাঁদের তরফে কোনও বাধা দেওয়া হয়নি। তবে গ্রামবাসীদের অভিযোগ, কারখানার ভিতর থেকে গর্ভনিরোধ ও গর্ভনিরোধকের প্যাকেট উদ্ধার হয়। তবে কারখানার ভিতর কয়েকটি মেশিনও রয়েছে।
গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এটা যে ন্যাপথলিনের কারখানা, তা তাঁদের জানা ছিল না। এর আড়ালে মধুচক্র চালিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় হত বলে সন্দেহ। যদিও মালিক, সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তিনি বন্ধ কারখানা খুলতে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে আবেদন করেন। কিন্তু আপত্তিকর জিনিস কীভাবে ওখানে এল, তা নিয়ে তিনি অন্ধকারে। তিনি জানান, কারখানার চাবি গ্রামে একজনের কাছে থাকত।
