Barun Biswas Case: ১৪ বছর পর অবশেষে…. মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদনের পরই বরুণ বিশ্বাস হত্যামামলায় বড় মোড়
গৃহীত করা হল ৩৭ নাম্বার সাক্ষীর সাক্ষ্য। পরবর্তী শুনানিতে বাবার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। ২০১২ সালের ৫ জুলাই খুন হয়েছিলেন গাইঘাটার সুটিয়ার প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস। বরুণ বিশ্বাসের পরিবারের পক্ষ থেকে বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে বারংবার প্রশ্ন তোলা হয়েছিল।

উত্তর ২৪ পরগনা: মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদনের পরেই বরুণ খুনের মামলায় সরকারি আইনজীবীকে সরিয়ে নিয়োগ করা হল বিশেষ সরকারি আইনজীবী। গৃহীত করা হল ৩৭ নাম্বার সাক্ষীর সাক্ষ্য। পরবর্তী শুনানিতে বাবার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। ২০১২ সালের ৫ জুলাই খুন হয়েছিলেন গাইঘাটার সুটিয়ার প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস। বরুণ বিশ্বাসের পরিবারের পক্ষ থেকে বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে বারংবার প্রশ্ন তোলা হয়েছিল।
রাজ্য সরকার পরিবর্তনের পর মুখ্যমন্ত্রীর শুভেন্দু অধিকারীর কাছে বরুণ খুনের মামলার পুনঃতদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন । তারপরে দেখা গেল শুক্রবার বরুণ খুনের মামলার ৩৭ নম্বর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হল। সঙ্গে পরিবর্তন করা হয়েছে সরকার পক্ষের আইনজীবীকে। দেওয়া হয়েছে বিশেষ সরকার আইনজীবীকে। এদিন সাক্ষ্য গ্রহণ পরের নতুন বিশেষ সরকারি আইনজীবী জানান, আজ ৩৭ নাম্বার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হল। পরবর্তী তারিখ দেওয়া দেওয়াছে আগামী ৩১ অগষ্ট। ওই দিন বরুণ বিশ্বাসের বাবার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, “এই মামলা দীর্ঘদিন ধরে চলছে। আমরা আশাবাদী দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি হবে।”
বরুণ বিশ্বাসের মামলায় বিশেষ সরকারি আইনজীবী নিয়োগ প্রসঙ্গে বরুণ বিশ্বাসের দিদি প্রমিলা রায় বিশ্বাস বলেন, “আগের আইনজীবী আমাদের কোনওভাবে সহযোগিতা করেননি বরং বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁর শেখানো কথা আমাদের বলতে হবে, আমার বাবা কিছু বলতে গেলে এটা বলতে পারবেন না, এভাবে বলতে হবে, এরকম শিখিয়ে দিতেন। নতুন আইনজীবী দিয়েছেন আমাদের আশা আছে এবার বিচার পাব। বাবাকে ডাকা হলে তিনি সুস্থ থাকলে বাবাকে নিয়ে যাব, তিনি সাক্ষ্য দেবেন।”
বিশ্বাস পরিবারের দাবি, সুটিয়া গণধর্ষণ এবং বরুণ খুনের নেপথ্যে যাঁরা রয়েছেন, তাঁরা দীর্ঘ দিন আইনের আওতার বাইরে। পরিবারের আরও অভিযোগ, প্রাক্তন মন্ত্রী তথা হাবড়ার প্রাক্তন বিধায়ক জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নাম একাধিক বার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু সেই অভিযোগের যথাযথ তদন্ত হয়নি। এবার বিশেষ সরকারি আইনজীবী দায়িত্ব নিতেই আশায় বুক বাঁধছে বিশ্বাস পরিবার।
