Shaktigarh Langcha: শক্তিগড়ে ল্যাংচার রঙ আসল তো? দোকানে দোকানে হল কেমিক্যাল টেস্টও
Burdwan: খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও এদিন বলেছেন, খাবারের দোকানে রঙের নামে বিষ মেশানো যাবে না। সেই কারণেই এই অভিযান। এই ধরনের ব্যবসার সঙ্গে কিছু পুলিশ ও সরকারি অফিসারও যুক্ত থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

শক্তিগড়: খাবারে ভেজাল ঠেকাতে রাজ্য় জুড়ে অভিযান চালাচ্ছে খাদ্য দফতর। মেদিনীপুর, আসানসোল, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া- বাদ যাচ্ছে না কোনও জেলাই। আজ মঙ্গলবার অভিযান চলল পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড়ের ল্যাংচার দোকানে। যে ল্যাংচার এত সুনাম, যার স্বাদ গোটা বাংলা জানে, সেই মিষ্টিতে কি মেশানো হচ্ছে ভেজাল? পরীক্ষা করলেন আধিকারিকরা।
মঙ্গলবার সারা দুপুর ধরে শক্তিগড়ে একাধিক ল্যাংচার দোকান ও অন্যান্য খাবারের দোকানে অভিযান চালায় খাদ্য সুরক্ষা দফতর। জানা গিয়েছে, এদিন বেশ কয়েকটি গাড়িতে আধিকারিকরা পৌঁছে যান দোকানে দোকানে। দলে ছিলেন খাদ্য সুরক্ষা দফতর, স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিক, পুলিশ, বিডিও ও অন্যান্য সরকারি দফতরের আধিকারিকরা।
খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও এদিন বলেছেন, খাবারের দোকানে রঙের নামে বিষ মেশানো যাবে না। সেই কারণেই এই অভিযান। এই ধরনের ব্যবসার সঙ্গে কিছু পুলিশ ও সরকারি অফিসারও যুক্ত থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
এদিন বেশ কয়েকটি ল্যাংচা ও মিষ্টির দোকান, হোটেল, ধাবা, রেস্তোরাঁ ও অন্যান্য খাবারের দোকানে তল্লাশি চালানো হয়। যে রঙ ব্যবহার করা হচ্ছে, তার মান, ছানা-পনীরের গুণগত মান, সব খতিয়ে দেখা হয়। কোল্ড ড্রিংক, মশলাপাতি সব পরীক্ষা করেন আধিকারিকরা। খাবার প্রক্রিয়াকরণ ও পরিবেশন কেমন হবে, তার নির্দেশিকাও জানিয়ে দেওয়া হয় ব্যবসায়ীদের। এদিনের অভিযানে মেয়াদ উত্তীর্ণ বা গরমিল দেখলে সেই খাবার বা পানীয় সামনেই নষ্ট করে ফেলতে বলা হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, এখানে বেশ কিছু দোকানে অভিযান চলেছে। তবে বিরাট বড় কিছু গরমিল ধরা পড়েনি। কিছু গাইডলাইন তাঁরা জানতেন না, বা মানা হয়নি, সেগুলি মেনে চলতে হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর কিছু জিনিস নষ্ট করে ফেলতে হয়েছে।
